ভাণ্ডারিয়ায় জাল সনদে ২ কলেজ শিক্ষকের এমপিও বাতিল

জাল শিক্ষাগত সনদ ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। একইসাথে এমপিও বাবদ উত্তোলিত সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামুন হোসেন, ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর)

Location :

Pirojpur
নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শিয়ালকাঠী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের দুই প্রভাষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) বাতিল করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর।

জাল শিক্ষাগত সনদ ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। একইসাথে এমপিও বাবদ উত্তোলিত সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পিআইইউ) প্রকৌশলী মো: মাকসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত গত ১০ জুন অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লোকবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী তদন্ত শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এমপিও বাতিল হওয়া শিক্ষকরা হলেন প্রভাষক (হিসাবরক্ষণ) বিজন চন্দ্র হাওলাদার (ইনডেক্স নম্বর-২১১০২২১০) এবং প্রভাষক (কম্পিউটার অপারেশন) মো: রফিকুল ইসলাম (ইনডেক্স নম্বর-২১১০২২০৯)।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিজন চন্দ্র হাওলাদার হিসাবরক্ষণ শাখার কোনো সরকারি অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও এমপিও আবেদন করেন এবং অবৈধভাবে সুবিধা গ্রহণ করেন। এ কারণে তার এমপিও বাতিল করা হয়েছে এবং উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে মো: রফিকুল ইসলামের দাখিল করা ‘বিএসসি ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রির সনদ তদন্তে জাল প্রমাণিত হয়েছে। অসত্য তথ্য ও জাল সনদের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হওয়ায় তার এমপিও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও অনিয়ম, জাল সনদ ও অবৈধ নিয়োগের ঘটনা রয়েছে কি না তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।