জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আব্দুল্লাহপুর গ্রামে চতুর্থ জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
কারিনা কায়সার জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির মেয়ে।
পরিবার সূত্র জানায়, ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও একাধিক জানাজা শেষে রোববার রাতে তার লাশ গজারিয়ায় আনা হয়। পরে নানি ডা: জোহরা খানম পারুলের বাগানবাড়িতে শেষ জানাজার আয়োজন করা হয়।
সোমবার সকাল থেকেই প্রিয় মুখটিকে শেষবারের মতো দেখতে এলাকার মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। তবে পরিবারের অনুরোধে পুরো দাফন কার্যক্রম সীমিত পরিসরে সম্পন্ন করা হয়। জানাজা ও দাফনের সময় ছবি ও ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। গণমাধ্যমকর্মীদেরও নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়।
দাফনের পর কারিনার ছোট ভাই সাদাত হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকায় আনুষ্ঠানিকতায় সবাই অংশ নিয়েছেন। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন পারিবারিক পরিবেশে সম্পন্ন করা হয়েছে।’
এদিকে, কারিনার মা লোপা কায়সার মেয়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে কবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, গজারিয়ার বাড়িটি কারিনা ও তার মায়ের খুব প্রিয় ছিল।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা কায়সার। অবস্থার অবনতি হলে গত ১১ মে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাইয়ে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার মৃত্যু হয় তার। পরদিন লাশ দেশে আনা হয়।



