পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মো: হারুন বয়াতি (৬৫) নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিজয় শিকদার (২৫) ও রূপা শিকদার (২০) নামে এক দম্পতি আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাণ্ডারিয়া-চরখালী সড়কের চায়না প্রজেক্ট এলাকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হারুন বয়াতি উপজেলার নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের হেতালিয়া গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস ভাণ্ডারিয়া-চরখালী সড়কের চায়না প্রজেক্ট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা চরখালীগামী একটি অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় পথচারীরা আহতদের উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হারুন বয়াতিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার সময় তিনি মারা যান। আহত বিজয় শিকদার ও রূপা শিকদার দম্পতি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার ডা: জান্নাতুল মাওয়া জানান, হারুন বয়াতিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার মাথা, কোমর ও পায়ে গুরুতর আঘাত ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালে তার মৃত্যু হয়। আহত অপর দু’জনকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, দুর্ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পলাতক চালক ও হেলপারকে আটকের চেষ্টা চলছে।



