কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোলের সাথে ডিজেল মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত পেয়েছেন ভোক্তারা। বর্তমানে পাম্পটির তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের মাইজহাটি এলাকার ‘বৈশাখী ফিলিং স্টেশন’র বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পাকুন্দিয়ার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ রিফাত জাহান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লোকজনকে শান্ত করেন এবং পাম্প মালিকের কাছ থেকে ভোক্তাদের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে ওই ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছিলেন মোটরসাইকেল চালকরা। জ্বালানি নেয়ার পর অনেক মোটরসাইকেল চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ চালকরা ফিলিং স্টেশনের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।
একপর্যায়ে ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে সরে যায়। ঘটনার পরপরই এসিল্যান্ড উপস্থিত হয়ে পাম্প মালিকের কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ চালকদের টাকা ফেরত নেয়ার ব্যবস্থা করেন। এতে উত্তেজিত চালকরা শান্ত হয়ে ফিরে যান।
বৈশাখী ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, যে গাড়িতে করে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হয়েছিল গাড়িটিতে দু’টি ব্লকে পেট্রোল ও ডিজেল আসে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্লক লিকেজ হয়ে দু’টি তেলের একত্রে মিশ্রণ হয়েছে। উপস্থিত ভোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তেল বিক্রি বন্ধ করে দেই এবং ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা ফেরত দেই।
এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঠিক কি কারণে এমনটি হল আমরা তা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


