হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা আরো বাড়ছে রংপুর বিভাগে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি, নতুন করে কেউ শনাক্ত হয়নি।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর থেকে জানা গেছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর ও দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজসহ জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগ ও ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে ৫৩ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টার চেয়ে যা ২০ জন বেশি।
এনিয়ে এই বিভাগে এখন পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১৮২ জন। এরমধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৩৯ জন। ভর্তি আছে ৪৩ জন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভর্তি এখন পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে সাতজনের। যার মধ্যে ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীতে দুইজন এবং রংপুর, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে একজন করে।
এদিকে, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে পাওয়া তথ্যমতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে তিনজন। যা আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় পাঁচজন কম। এ হাসাপাতালে এখন ভর্তি আছে ১৪ জন। চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে ২২ জন।
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হাম চিকিৎসায় গঠিন বিশেষ কমিটির ফোকাল পারসন ডা: আ ন ম তানভীর চৌধুরী জানান, রোববারের তুলনায় সোমবার রোগী ভর্তির সংখ্যা আমার আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঁচজন রোগী কম ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও যারা উপসর্গ নিয়ে আসছেন তারা চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এই বিভাগের পরিস্থিতি ভালো।’
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: গওসুল আজিম চৌধুরী জানান, এখন পর্যন্ত ১৮২ জন শিশু হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হলেও ১৩৯ জন পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন। ৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের চিকিৎসা চলছে। একজনেরও মৃত্যু হয়নি। এ বিভাগের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে হাম কর্নার এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠকর্মীদের অ্যালার্ট করে রাখা হয়েছে।



