বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল এবং লিডিং ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে "Preparation for Accreditation: Documentations and Evidence" বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে লিডিং ইউনিভার্সিটির রাগীব আলী ভবনের গ্যালারি-১ এ অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন।
বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. এস এম কবিরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সচিব প্রফেসর এ. কে. এম. মনিরুল ইসলাম এবং পরিচালক প্রফেসর নাসির উদ্দিন আহমেদ।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো প্রোগ্রাম বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হওয়া খুবই জরুরি। কারণ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও চাকরি প্রাপ্তিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া এটি পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করে। যখন কোনো প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশন লাভ করে, তখন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকেরা নিশ্চিত হতে পারেন যে এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড বজায় রাখতে সক্ষম। আজকের এই কর্মশালার আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি প্রোগ্রামের সিলেবাস ও কারিকুলাম আপগ্রেডেশনের বিষয়ে লিডিং ইউনিভার্সিটির কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি দ্রুততম সময়ে অ্যাক্রিডিটেশন পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও পরামর্শ প্রদান করেন।
টেকনিক্যাল সেশনে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. এস এম কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশন থাকলে দেশের বাইরে থেকে অনেক শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করতে আসবে। তাছাড়া অ্যাক্রিডিটেডেড প্রোগ্রাম সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অন্য দেশেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সহজে পেতে পারে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশন পেয়েছে এবং অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল দেশের সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশন বিষয়ে বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। তিনি লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশনের জন্য যেকোনো সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল হলো একটি সেন্ট্রাল পার্ট এবং লিডিং ইউনিভার্সিটির আইকিউএসি এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজকের এই কর্মশালার আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য লিডিং ইউনিভার্সিটির আইকিউএসিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেই সাথে তিনি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার প্রসারে লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলীর অবদান স্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক এবং কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।
লিডিং ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহানশাহ মোল্লার উপস্থাপনায় কর্মশালায় বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের উপ-পরিচালক ড. ফারজানা শারমিন, লিডিং ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর রিসার্চ, ইনোভেটিভ স্টাডিজ অ্যান্ড প্ল্যানিং-এর উপদেষ্টা এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মজিদ মিয়া, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ কবির আহমেদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. কবির আহমেদ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, লাইব্রেরিয়ান এবং সকল বিভাগের প্রোগ্রাম সেলফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।



