মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা যৌথভাবে স্থানীয়দের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করে নতুন কর্মসংস্থান ও মুনাফা অর্জনে নতুন দ্বার উন্মোচন করছে বলে প্রশংসা করেছেন বান্তিং জেলা পুলিশ সুপার আকমারিলজাল বিন রাডজি।
আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে প্রায় ৭০০ গরু নিয়ে সবচেয়ে বড় খামার উদ্বোধন উপলক্ষে দেশটির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি তাইয়েব রেঞ্জ কোরবান কার্নিভালে অংশ্রগ্রহণ করে তিন এ প্রশংসা করেন।
মালয়েশিয়ায় কোনো গরুর হাট বসে না। সরকারি অনুমোদন ছাড়া যত্রতত্র গরু কোরবানি দণ্ডনীয় অপরাধ। খামারে পশু কোরবানি করে গোশত বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়।
অর্গানিকভাবে পালিত সরকারি সার্টিফিকেট প্রাপ্ত তাইয়েব রেঞ্জ খামারের গরু মহিষ কোরবানি দেয়ার জন্য স্থানীয় মালয়েশিয়ান ও প্রবাসীদের আহ্বানও জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ সুপার।
এসময় এই কোরবান কার্নিভালে স্থানীয় সংসদ সদস্য দাতুক বোরহান বিন আমান শাহের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা, নাচ গান, বাংলাদেশী ও মালয় ফুড পরিবেশনসহ বিভিন্ন স্টল এবং শিশুদের বিনোদনের আয়োজন করা হয়েছে।
পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতা ও সুনামের সহিত ব্যবসার জন্য ২০২৫ সালে বাংলাদেশী মালিক মাসউদুর রহমান ও মালয়েশিয়ান স্ত্রী লুই জি চিয়াং দম্পতির এ খামারটি অর্জন করেন সরকারের সম্মানীয় ‘মাদানী পদক’ ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পুরস্কার পেয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স আয়ের উৎস। দেশটিতে দেড় মিলিয়ন প্রবাসীর অবস্থান হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে কলিং ভিসার ইস্যুতে ঝুলে আছে কর্মী নিয়োগ। কলিং চালু হলে আরো লাখ লাখ বাংলাদেশীর কর্মসংস্থানের নিশ্চিত সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশীরা শুধু শ্রম বিক্রি করার পরিবর্তে উদ্যেক্তা হয়ে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কৃষি উৎপাদনে বিনিয়োগ করেও কোটি কোটি টাকার রেমিট্যান্স দেশে প্রেরণ করে সমৃদ্ধ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।



