পিরোজপুরে ২৮ মণের ‘শান্ত’, দেখতে প্রতিদিনই ভিড়

মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের গাজী অ্যাগ্রো ফার্মে লালন-পালন করা হচ্ছে হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের এই বিশাল ষাঁড়টি।

পিরোজপুর প্রতিনিধি

Location :

Pirojpur
বিশাল আকৃতির গরু শান্ত
বিশাল আকৃতির গরু শান্ত |নয়া দিগন্ত

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির একটি ষাঁড়। সাদা-কালো রঙের প্রায় ২৮ মণ ওজনের গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষজন। স্থানীয়দের কাছে গরুটি পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘শান্ত’ নামে।

মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের গাজী অ্যাগ্রো ফার্মে লালন-পালন করা হচ্ছে হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের এই বিশাল ষাঁড়টি।

খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন কাউকে দেখলে গরুটি কিছুটা অস্থির হয়ে পড়ে। এমনকি বাইরে বের করতে গেলেও ১০ থেকে ১২ জন লোকের সহায়তা লাগে।

২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা গাজী অ্যাগ্রো ফার্মে বর্তমানে ৩২৭টির বেশি গরু রয়েছে। চার বছর আগে খামারেই জন্ম নেয় আলোচিত এই ষাঁড়টি। গরুটির দৈনিক খাবার ও পরিচর্যায় প্রায় ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

গরুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা কর্মী দেলোয়ার, মনির ও মিরাজ নিয়মিত খাবার দেয়া, গোসল করানো এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন।

তারা জানান, গরুটি অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে পারে না। তাই সারাক্ষণ ফ্যানের নিচে রাখা হয় এবং প্রতিদিন দুইবার গোসল করানো হয়।

কর্মী মনির বলেন, ‘গরুটিকে নিয়মিত ভুট্টা, ছোলা বুট, শুকনো খড়, কাঁচা ঘাস, গমের ভুসি ও সাইলেজ খাওয়ানো হয়।’

খামারের দায়িত্বে থাকা নান্নু মিয়া জানান, গরুটির ওজন প্রায় এক হাজার ১০০ কেজি। কোরবানির জন্য এর দাম চাওয়া হচ্ছে আট লাখ টাকা। তবে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী এর মূল্য আরো বেশি হতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

গরুটি দেখতে আসা রাব্বি ইসলাম বলেন, ‘এত বড় গরু আমি আগে কখনো দেখিনি।’

পিরোজপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: তরুণ কুমার সিকদার বলেন, ‘আমাদের ধারণা অনুযায়ী এটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু।’