১৩১ বছর প্রাচীন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমা প্রাচীরের ভেতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এর আগে স্কুল কমিটি থেকে বাদ পড়ে দুই ব্যক্তি প্রথম জমি নিয়ে মামলা, সংস্কার কাজে বাধা ও দেওয়ালের পিলার ভেঙে ফেলেন।
শুক্রবার (২২মে) স্কুলের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানায়, ১৮৯৫ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক দুইজন সদস্য আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল ইসলাম। তারা দাতা সদস্য থাকতে না পেরে জায়গার জন্য মামলা করেন। এদিকে ১৮ মে স্কুলের পেছনের দেওয়াল রক্ষাকারী পিলার নির্মাণ করা হয়। ওই রাতে সেই পিলার ভেঙে ইটগুলো দূরে ফেলা দেয়া হয়।
অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল ইসলাম বলেন, এখানে তাদের পারিবারিক কবরস্থান ছিল। তাই তারা মামলা করেছেন।
প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা বলেন, ‘দুই দফায় এখানে ২১ বছর দায়িত্ব পালন করছি। এর আগে কখনো তারা এখানে জায়গা পাওয়ার বিষয়ে কিছু শুনিনি। আমরা এখানে কখনো কবরস্থান দেখিনি।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আবদুল হালিম মজুমদার বলেন, ‘এই স্কুলের চার পাশে ডোবা ছিল। ব্যক্তিগত ১৫ লাখ টাকা খরচ করে ডোবা ভরাট ও দেওয়াল সংস্কার করেছি। এখানে কবরস্থান কখনো দেখিনি। এদিকে মামলা দেয়ার পর সীমানা প্রাচীরের ভেতরে কবরস্থানের সাইনবোর্ড লাগানো অনৈতিক চেষ্টা বলা যেতে পারে।
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় বলেন, ‘স্কুলের জমি নিয়ে মামলা ও সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়টি আমরা জেনেছি। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ যেন নষ্ট না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।’



