ফুয়েল কার্ড ছাড়াই নিচ্ছে জ্বালানি

নীলফামারীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাইকারদের দীর্ঘ সারি

জেলা সদরের বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি নিতে বাইকারদের রয়েছে অপেক্ষারত দীর্ঘসারি। সরকারিভাবে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী জ্বালানি নিতে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামুলক থাকলেও, ফুয়েল কার্ড ছাড়াই মিলছে জ্বালানি।

নীলফামারী প্রতিনিধি

Location :

Nilphamari
নীলফামারীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাইকারদের দীর্ঘ সারি
নীলফামারীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাইকারদের দীর্ঘ সারি |নয়া দিগন্ত

জেলা সদরের বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি নিতে বাইকারদের রয়েছে অপেক্ষারত দীর্ঘসারি। সরকারিভাবে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী জ্বালানি নিতে ফুয়েল কার্ড বাধ্যতামুলক থাকলেও, ফুয়েল কার্ড ছাড়াই মিলছে জ্বালানি।

অপরদিকে, জ্বালানি নিতে দীর্ঘক্ষণের অপেক্ষায় ফুয়েল কার্ডধারীরা। এর ফলে শুরুতেই হোচট খাচ্ছে ফুয়েল কার্ড। প্রশ্ন উঠেছে এর কার্যকারিতা নিয়ে।

সরেজমিনে জেলা সদরের মেসার্স রফিকুল আলম চৌধুরী ফিলিং স্টেশন, রাজা ফিলিং স্টেশন, ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কিছু ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, বাইকারদের দীর্ঘসারি। তাদের মধ্যে অনেকেরই নেই বাইক রেজিষ্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স। ফুয়েল কার্ড ছাড়াও নিচ্ছেন জ্বালানি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জ্বালানি নিতে আসা ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকারী ভাবে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২৩ এপ্রিল হতে ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি পাবে না জেলা শহর জুড়ে এমন মাইকিং করে উপজেলা প্রশাসন। স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদনের মাধ্যমে গত ২২ এপ্রিল আমার নামীয় ফুয়েল কার্ড হাতে পেয়ে অনেকটা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেছিলাম। কিন্তু আজ জ্বালানি নিতে এসে দেখি বাইকারদের দীর্ঘ সারি। নিচ্ছেন জ্বালানি যাদের অনেকেরই নেই বাইকের রেজিষ্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স।

এ ব্যাপারে জেলা তথ্য কর্মকর্তা বায়েজীদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২২ এপ্রিল ফুয়েল কার্ড সংক্রান্ত মাইকিং করা হয়েছে। ফুয়েল কার্ড ছাড়া জ্বালানি নেয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।’