ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনে মৃত ২২ জনের মধ্যে এক বাংলাদেশী নাগরিক রয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়া এবং নিহতের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, গত বুধবারের (৩ জুন) ওই ঘটনায় সাতটি দেশের ২২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তাদেরই একজন ৪৪ বছর বয়সী বাংলাদেশী নাগরিক মো: নুরুল আমিন।
বৃহস্পতিবার রাতে মিশন থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতের লাশ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
হাইমিশন জানায়, গত ৩ জুন সংঘটিত ওই দুর্ঘটনায় দু’টি বাংলাদেশী পরিবার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিবার দু’টি নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ওই হোটেলেই অবস্থান করছিলেন।
ভারতের রাজধানীতে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাংলাদেশী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে হাইমিশন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব বাংলাদেশী নাগরিককে দেখতে যান। এ সময় তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, রোগীদের সার্বিক সহযোগিতা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখতে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক হাসপাতালে অবস্থান করছেন।
আগুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা, সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হাইমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।
সূত্র: বাসস



