রাজধানীর বাড্ডায় কাভার্ডভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে চালক নিহত

‘নিহত জুয়েল রানা নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার নায়েকপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে। তিনি দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। মাত্র পাঁচ মাস আগে তিনি বিয়ে করেন। বর্তমানে তিনি উত্তর বাড্ডা এলাকায় সস্ত্রীক বসবাস করছিলেন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল |সংগৃহীত

রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোহাম্মদ জুয়েল রানা (৩৮) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জুয়েল রানা নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার নায়েকপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে। তিনি দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। মাত্র পাঁচ মাস আগে তিনি বিয়ে করেন। বর্তমানে তিনি উত্তর বাড্ডা এলাকায় সস্ত্রীক বসবাস করছিলেন।

নিহতের শ্যালক আজিজুল ইসলাম জানান, জুয়েল রানা পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে বাড্ডা থানা পুলিশ তার রিকশাটি আটক করে এবং সেটির ব্যাটারি খুলে রেখে দেয়। এরপর রিকশা হারিয়ে ক্ষোভ ও হতাশায় জুয়েল রানা অন্য একটি অটোরিকশায় চড়ে বাসায় ফিরছিলেন। পথে বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যান তাদের রিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিগগিরই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিকিৎসকের ঘোষণার পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে (বাড্ডা থানা) জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।