ভিসার অনিয়ম রোধে ১৩ দেশের যৌথ বিবৃতি

ভিসা, পারমিট বা কনস্যুলার সেবা পেতে ইচ্ছুক আবেদনকারীদের অনিয়ম থেকে সতর্ক থাকার জন্য ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৩ দেশের দূতাবাস থেকে যৌথ বিবৃতি দেয়া হয়েছে।

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
Printed Edition

ভিসা, পারমিট বা কনস্যুলার সেবা পেতে ইচ্ছুক আবেদনকারীদের অনিয়ম থেকে সতর্ক থাকার জন্য ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৩ দেশের দূতাবাস থেকে যৌথ বিবৃতি দেয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আবেদনকারীদের দাফতরিক নিয়ম অনুসরণ এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট বা অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পেতে আমরা সব আবেদনকারীকে সরকারি ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। কোনো অবস্থাতেই জাল নথি ব্যবহার করবেন না। অনির্ভরযোগ্য দালাল বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করবেন না। কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি, এজেন্ট বা সংস্থাকে অর্থ দেবেন না। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে আপনার আবেদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে। আপনি আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট দেশে প্রবেশে বাধা বা গুরুতর আইনি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো দূতাবাস বা মিশনের সাথে কোনো এজেন্টের সংশ্লিষ্টতা নেই। ভিসা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব খাটানোর দাবিদার কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভর না করার জন্য আবেদনকারীদের কঠোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সবসময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া যাচাইকৃত তথ্য এবং দাফতরিক মাধ্যম বা চ্যানেলের ওপর নির্ভর করুন। আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য হলো, সবার জন্য একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু আবেদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

যৌথ বিবৃতি দেয়া অন্যান্য দেশগুলো হলো কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।

এদিকে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো গতকাল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন। প্রতিমন্ত্রী কার্যকর অভিবাসন নিশ্চিত করতে ইতালি ও অন্যান্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সাথে অব্যাহত সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিবাসন চ্যানেলের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসনরোধে বাংলাদেশের নেয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং তার দেশে বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের ইতিবাচক অবদানের কথা স্বীকার করেন।

উভয় পক্ষ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসন প্রচারের ওপর জোর দেয়।