হিন্দুত্ববাদীদের নিশানা কেন মুর্শিদাবাদ-মালদহ

পুরো মুসলিম জনগোষ্ঠী তৃণমূলের প্রতি ক্ষুব্ধ। এই ভোট এখন পুরোপুরি কংগ্রেসের দিকে ধাবিত। মালদহ-মুর্শিদাবাদ-দুই দিনাজপুরে প্রবাদপ্রতিম কংগ্রেস নেতা ও জননেতা সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মরহুম এ বি এ গণি খান চৌধুরীর মিথ যেন নবরূপে শক্তিশালী হচ্ছে। গণি মিথ আরো ঝাঁঝালো হচ্ছে। অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জি নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। মুসলিমদের যুক্তি হলো, এসআইআরের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার মানুষ রাস্তায়। বেছে বেছে মুর্শিদাবাদ-মালদহকে বধ করা হচ্ছে কেন

পশ্চিমবঙ্গের কোনো এক আরএসএস এবং বিজেপির ডাকসাইটে নেতার হুঙ্কারটা ছিল এরকম- পশ্চিমবঙ্গকে উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করা হবে। আর নবাবী আমলের মুর্শিদাবাদ ও সুলতানি আমলের মালদহ দু’টি ঐতিহাসিক মুসলিম অধ্যুষিত জেলা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করে দিয়ে আরেকটি কাশ্মির করা হবে।

এটি নিছকই হুঙ্কার নয়। একটি জঘন্য প্রয়াস ও ষড়যন্ত্র। শুধু কি তাই? তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার নবাবী মুর্শিদাবাদ জেলাকে কান্দি, বহরমপুর ও জঙ্গিপুর তিন বা কোনো সূত্র থেকে চারটি জেলায় ভাগ করে ‘মুর্শিদাবাদ’ ঐতিহাসিক শব্দটিকেই বাদ দিতে চাইছে। নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁর প্রতিষ্ঠিত একদা বঙ্গ-বিহার-উড়িষ্যার রাজধানী মুর্শিদাবাদ নামটিকেই মুছে দেয়ার এ এক জঘন্য প্রবণতা।

সে জন্যই কি নবাবী মুর্শিদাবাদ ও সুলতানি-মালদহকে বারবার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার চেষ্টা হিন্দুত্ববাদী তথা আরএসএস-বিজেপিসহ সংঘ পরিবারের? এই টার্গেট বা নিশানা এখন উগ্র হিন্দুত্ববাদীদেরও। যেখানে দুর্গাপূজা, হোলি উৎসব, রমজান মাস অথবা ঈদুল ফিতরের দিনে কিছুই হয় না কোথাও, সেখানে রাম নবমীর দিনে মুর্শিদাবাদের বিখ্যাত জঙ্গিপুরের রঘুনাথগঞ্জ ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডে রাম নবমীর মিছিল থেকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা কীভাবে ছড়ানো হলো পুলিশি টহলদারির সময়, সেটি এক মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। দিনটি ছিল ২৭ মার্চ (২০২৬) শুক্রবার বিকেল। দিনটি ছিল মুসলিমদের বিশেষ পবিত্র দিন ‘জুমাবার’। আর সে দিনই বিকেলে এ ধরনের জঘন্যতম ঘটনা ঘটেছে। বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে যখন কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারের পুলিশের রুট মার্চ চলছে, তখন রাম নবমীর মিছিল থেকে রিকশাচালক, ভ্যান-রিকশাচালক ও টোটোগুলো অবাধে ভেঙে ফেলা হলো। রঘুনাথগঞ্জের ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের অজস্র্র দোকান ভেঙে ফেলা ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হলো। পুলিশ কেন এটি আঁচ করতে পারল না? যদিও শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ, সমাজসেবী মানবতাবাদী শুভঙ্কর সরকার ও রফিকুল হকদের প্রচেষ্টায় পরে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। জঙ্গিপুর-রঘুনাথগঞ্জ এলাকার ৭৫ শতাংশ মানুষ তো ধর্মীয়ভাবে ইসলাম ধর্মাবলম্বী। এরা যদি পাল্টা ক্ষেপে যেত, তা হলে তো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। কিন্তু শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের ঐকান্তিক চেষ্টায় তা ব্যর্থ হয়েছে।

যে নবাবী মুর্শিদাবাদ বা সুলতানি মালদহে স্বাধীনতার আগে ১৯৪৬ বা স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ১৯৬৪ সালের বিরাট ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার কোনো প্রভাবই পড়েনি, সেখানে বারবার এই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার চেষ্টা হচ্ছে কেন? বিশেষ করে এই কয়েক বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটছে কেন? পুলিশ-প্রশাসনের এই ব্যর্থতা কেন? ২০২৫ সালে এপ্রিলে সামসেরগঞ্জ-ধুলিয়ান ও সুতি-অরঙ্গাবাদে এ ধরনের ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার পর পুলিশ কেন সতর্ক হয়নি? এটিও জেলার ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন। পুলিশ কেন সেই শিক্ষাটি নিতে পারেনি? রাম নবমীর মতো ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার ধুলাগড়, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, কলকাতার মেটিয়াবুরুজ-গার্ডেন রিচ, রবীন্দ্রনগর বা বারুইপুরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে, সেখানে পুলিশের আগাম সতর্কতা থাকা উচিত ছিল নাকি? তার পরও মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ-মালদহ কেন টার্গেট বা নিশানা। কারণটি কিন্তু অনেকটাই নিহিত তার আর্থসামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই। এই দুই জেলার মধ্যে অর্থনৈতিক ভিত তৈরি করেছে বিড়ি, রেশম শিল্প, প্লাস্টিক শিল্প, চামড়ার ব্যবসায়, চর্মশিল্প ও পশুর হাট। এ ছাড়া আম ও লিচুকে কেন্দ্র করে এখানকার জুস-আচার-জেলি শিল্প আজ বিশ্ববাজারে নজর কেড়েছে। জিয়াগঞ্জ বালুচুরি ও মুর্শিদাবাদ সিল্ক এখনো ইউরোপ-এশিয়ার বাজারে আকর্ষণীয়। গরিব হিন্দু-মুসলিম এই শিল্পগুলোতে তাদের জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করেছে। এই শ্রমিকের সংখ্যা লাখ লাখ। শুধু শ্রমিক নয়, তৈরি হয়েছে অসংখ্য উদ্যোক্তা। মোগল বা নবাবী আমলের কাশিমবাজার বন্দর নগরী ছিল একটি প্রাণকেন্দ্র। বিজেপি-সংঘ পরিবার হিন্দু-মুসলমানের এই ঐক্য ভাঙতে চায়। অসংগঠিত শ্রমিকরাই মুর্শিদাবাদ বা মালদহ জেলার অর্থনীতির ভিত। মুর্শিদাবাদ বা মালদহ জেলার অবস্থান এমন একটি জায়গায়, যার একদিকে বাংলাদেশ, একদিকে ঝাড়খণ্ড, আরেক পাশে বিহার। ফলে ফারাক্কা-জঙ্গিপুর-ধুলিয়ান-অরঙ্গাবাদ-সুতিতে হিন্দিভাষী ব্যবসায়ীদের ঢুকিয়ে দিয়ে আরএসএস-বিজেপি হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তানকে কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। যা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষকে উপস্থাপন করে। এ এক বিপজ্জনক প্রবণতা। মুর্শিদাবাদ জেলার আরো একটি শিল্প জেলার অর্থনীতি শক্তিশালী করেছে। সেটি হলো- পশুর হাট ও চামড়াজাত শিল্প (ট্যানারি)। কলকাতার বানতলার চর্মনগরী অনেকটাই নির্ভরশীল এই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার পশুর হাট ও চামড়া ব্যবসায়কে কেন্দ্র করে। এসব ব্যবসায় বা শিল্পের উদ্যোক্তারা হিন্দু-মুসলিম উভয়েই। শ্রমিক হিন্দু-মুসলিম মিলেই। কিন্তু মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। একটি বড়সড় দাঙ্গা ঘটাতে পারলে এদের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া যাবে। আর জেলা দু’টির মধ্যে কোনো আইনশৃঙ্খলা নেই। সীমান্তবর্তী এলাকায় কেবল পাচার আর পাচার। এটিকে বেশি করে দেখানো যাবে। আর বলা যাবে, এই দুই জেলায় পাচারকারী ও অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। পাচার ও চোরাচালানকারী ছাড়া আর কিছুই নেই। আইনশৃঙ্খলা তলানিতে, এই অজুহাত বারবার দেখাতে চায় বিজেপি-আরএসএস। যত সন্ত্রাসবাদী নাকি সবটাই মালদহ মুর্শিদাবাদে তৈরি হয়। এটি দ্বিতীয় কাশ্মির হতে চলেছে। এ কখনোই মেনে নেয়া যাবে না।

আমাদের স্মরণ থাকতে পারে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে জগদ্ধাত্রী পূজা প্যান্ডেলে যে লাইটিং করা হয়েছিল সেখানে স্পষ্ট করে লেখা হয়, মহম্মদ একজন ফাকার। এর ভেতরে কোনো ষড়যন্ত্র না থাকলে বা বড় মাথা না থাকলে কি কখনো এ ধরনের ঘটনা ঘটে? পরে জানা গেছে, এর পেছনে বেলডাঙার ভারত সেবাশ্রম সঙ্গের স্বামীজি কার্তিক মহারাজ বা বিজেপি নেতা ভরতনাথ ঝাওয়ারদের হাত ছিল। ভরতনাথ ঝাওয়ার সব দল করে এখন বিজেপি করছে। কার্তিক মহারাজ বিজেপি-আরএসএস ও তৃণমূলের আশীর্বাদপুষ্ট। ইনি মুর্শিদাবাদ জেলার আনাচে-কানাচে রামমন্দির করবেন। তাতে সাতখুন মাফ। আর হুমায়ুন জায়গা কিনে বাবরি মসজিদ করলেই সব দোষ। বেলডাঙার ওই ঘটনায় মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্ত। কিন্তু এলাকার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ সে দিন বড়সড় দাঙ্গা থামিয়েছিল। ওই ঘটনায় সায়ন হালদারকে গ্রেফতার করা হলেও ষড়যন্ত্রের জাল খুব গভীরে। এই মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ তিন হিন্দু যুবককে গ্রেফতার করে। তারা সে সময় পুলিশের জেরায় স্বীকার করে, তারা সংঘরের। মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর জেলা বইমেলায় কারা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করেছিল? পুলিশ জানতে পারে, তারা উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ধুলিয়ান-সামসেরগঞ্জ-সুতি-অরঙ্গাবাদের দাঙ্গা সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে। এত কিছুর পরেও মানুষ সম্প্রীতি তৈরি করেছে। এই মারণ রোগের জন্য দুই শাসকই দায়ী। আজ আরএসএস-বিজেপিসহ সংঘ পরিবারের নিশানা মুর্শিদাবাদের নবাব মুর্শিদ কুলি খাঁ প্রতিষ্ঠিত কাটরা মসজিদ, কলকাতার টালিগঞ্জের টিপু সুলতান মসজিদ বা মালদহে মহদিপুর সীমান্তে সুলতানি আমলের সোনা মসজিদ ও মালদহের বিখ্যাত আদিনা মসজিদ। আজকে এই সংঘ পরিবার বলতে চাইছে, এগুলো নাকি মন্দির ছিল। এমনকি নবাব হুমায়ুন জা প্রতিষ্ঠিত হাজারদুয়ারি ও নবাব ফেরাদুন জা প্রতিষ্ঠিত এশিয়ার বৃহত্তম ঈমামবাড়াকেও নিশানা বানাচ্ছে সংঘ পরিবার। আগামী দিন মুর্শিদাবাদ-মালদহের ভবিষ্যৎ কী?

১৯৮২ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী মুর্শিদাবাদ-মালদহের সংযোগস্থল ফারাক্কায় এসে বলেছিলেন, কলকাতা বন্দরের ভার লাঘব করতে ফারাক্কায় আরো একটি বন্দর করা হবে। তা হবে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। ফারাক্কায় ন্যাশনাল পাওয়ার থার্মাল করপোরেশন গড়ে উঠেছে। নবারুণ নামক একটা টাউনশিপ গড়ে উঠেছে। দিল্লির সাথে রেল যোগাযোগ। এমনকি উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি গেটওয়ে ফারাক্কা। তার পরও এখানে নদীবন্দর আজো হয়নি। টাউনশিপ হলেও ফারাক্কা হতে পারেনি উপযুক্ত শিল্পনগরী। গঙ্গা ও ভাগীরথি নদী তীরবর্তী ফারাক্কা-ধুলিয়ান-অরঙ্গাবাদ-জঙ্গিপুরকে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন করা যেত। যেভাবে ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী আবু বরকত আতাউল গণি খান চৌধুরী ও জননেত্রী ইন্দিরা গান্ধী ফারাক্কাকে একটি উন্নত অঞ্চল হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন, কিন্তু সেখানে নদীবন্দর হলে আরো অনেক বিকাশ ঘটতো। দুর্ভাগ্য আমাদের, ইন্দিরা গান্ধীর অকাল প্রয়াণ অনেক কিছুই স্তব্ধ করে দিয়েছে। জননেতা মরহুম গণি খান চৌধুরীকে তার উত্তরসূরিরা সেভাবে অনুসরণ করতে পারেননি। আর এখন তৃণমূল-বিজেপির বাইনারি আর সংঘ পরিবারের উগ্র হিন্দুত্ববাদ দুই জেলার সার্বিক উন্নয়ন স্তব্ধ করে দিচ্ছে। কেবল ধর্মীয় বিভাজন। এটিই যেন নিয়তি।

সম্প্রতি মালদহ জেলার মোথাবাড়ি, কালিয়াচক ও সুজাপুরে ভোটার তালিকায় ডিলিট অথবা বিচারাধীন হওয়ার ঘটনায় যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে তাতে মুসলিমরা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির দ্বিচারিতায় দারুণ ক্ষুব্ধ। মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়ি আটকানোর ঘটনায় নাটের গুরু তো সেখানকার তৃণমূল বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন ও তার লোকজন। মমতা ব্যানার্জির সাফাই আমার সিআইডি গ্রেফতার করেছে। ঘটনা মোথাবাড়ির। আর আইনজীবী মোফাখখারুল ইসলাম ও ইনসাফ বাংলা নামক এক পোর্টালের তরুণ সাংবাদিক একরামুল বাগানিকে গ্রেফতার করা হলো সেই কালিয়াচক-সুজাপুরে আইনসঙ্গত ভাষণ দেয়ার জন্য। দু’জনকে বেঙ্গালোর যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সিআইডি গ্রেফতার করে।

পুরো মুসলিম জনগোষ্ঠী তৃণমূলের প্রতি ক্ষুব্ধ। এই ভোট এখন পুরোপুরি কংগ্রেসের দিকে ধাবিত। মালদহ-মুর্শিদাবাদ-দুই দিনাজপুরে প্রবাদপ্রতিম কংগ্রেস নেতা ও জননেতা সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মরহুম এ বি এ গণি খান চৌধুরীর মিথ যেন নবরূপে শক্তিশালী হচ্ছে। গণি মিথ আরো ঝাঁঝালো হচ্ছে। অর্থাৎ- মমতা ব্যানার্জি নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। মুসলিমদের যুক্তি হলো, এসআইআরের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার মানুষ রাস্তায়। বেছে বেছে মুর্শিদাবাদ-মালদহকে বধ করা হচ্ছে কেন?

লেখক : কলামিস্ট, প্রাবন্ধিক ও কবি