স্পিকারের সাথে অস্ট্রেলিয়ান হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেন্টিভের স্পিকারের সাক্ষাৎ

‘বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া সরকার তদানীন্তন বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মিল্টন ডিক
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মিল্টন ডিক |সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ান হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার মিল্টন ডিক।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার সুজান রাইল, হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেন্টিভের ডেপুটি স্পিকার শ্যারন ক্লেডন এমপি, লেবার পার্টির বাসেম আব্দো, নিউ সাউথ ওয়েলসের সিনেটর ডেবোরা ও’ নেইল, সাউথ অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল পার্টির সিনেটর এন্ড্রু ম্যাকলাহান সিএসসি, তাসমানিয়ার স্বতন্ত্র সিনেটর টামি টাইরেল, চিফ অব স্টাফ শ্যানন থ্রেলফল ক্লার্ক, প্রতিনিধি সচিব ড. জেন থমসন, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) হ্যারি থমসন, সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার আসিফ কাশেম, বৈদেশিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য বিভাগের পলিসি কর্মকর্তা ব্লেইক রেইলি, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের পলিটিক্যাল এনালিস্ট এবং মিডিয়া ম্যানেজার তামান্না রীতি স্পিকারের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া সরকার তদানীন্তন বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সংসদীয় সম্পর্কের মাধ্যমে শুধু সরকারের সাথে সরকারের সম্পর্ক শক্তিশালী নয়, বরং দুই দেশের সাধারণ মানুষের জনযোগাযোগও বৃদ্ধি পাবে।

স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। একটি প্রাণবন্ত সংসদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিরোধী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরো এগিয়ে নিচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার মিল্টন ডিক বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া সরকার সবসময় পাশে থাকবে।

স্পিকার এ সময় সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারকরণ, শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাসহ সংসদীয় গণতন্ত্রে নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, স্পিকারের আমন্ত্রণে পরবর্তী সময়ে মিল্টন ডিক ও তার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশন এবং সংসদীয় কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।

সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সংসদ-সদস্য তাহসিনা রুশদী, এমপি ও এম নাসের রহমান, এমপি অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সাথে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বাসস