ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুন তৃতীয় দফা রিমান্ডে

দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আজ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তৃতীয় দফায় তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিত আজাদ তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ((ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ((ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ |ইন্টারনেট

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক ((ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

আজ সোমবার দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তৃতীয় দফায় তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিত আজাদ তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পরদিন ২৬ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তার এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৩১ মার্চ দ্বিতীয় দফায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছাত্র-জনতার সাথে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান নেন।

এ সময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন নিপীড়নের জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্রের সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক হতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে।

পরে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে, পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই মারা যান।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর মডেল থানায় ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী লিজা একটি মামলা দায়ের করেন।

সূত্র : বাসস