লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশী নাগরিক আলী হোসেনের (৫০) লাশ ১৭ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৯টায় সীমান্ত এলাকায় লাশের হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তিস্তা-৬১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লাশ হস্তান্তরের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
লাশ হস্তান্তরের সময় ধবলগুড়ি বিওপির পক্ষ থেকে কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো: আমিরুল ইসলাম ও প্রতিপক্ষ বিএসএফের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার এ সি রাজেশ কুমার ইয়াদব উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা পুলিশ নিহতের লাশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে রাত ৯টার দিকে পাটগ্রাম থানা পুলিশ লাশটি নিহতের বড় ভাই মো: আনোয়ার হোসেনকে (৪৮) বুঝিয়ে দেয়।
এর আগে, মঙ্গলবার গভীর রাতে পাটগ্রামের ধবলগুড়ি সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আলী হোসেন নিহত হন।
এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে দু’দেশের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে একটি স্পট পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
জবাবে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট দাবি করেন, নিহত ব্যক্তি চিহ্নিত চোরাচালানকারী ছিলেন। তবে ঘটনার জন্য বিএসএফ কমান্ড্যান্ট দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। বিজিবির পক্ষ থেকে এ ঘটনায় প্রোটেস্ট নোট দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাটালিয়ন, সেক্টর ও রিজিয়ন সদর দফতর থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।



