নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড বলেছেন, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারানোর ঘটনা ছিল এমন কিছু, যা তিনি জীবনেও স্বপ্ন দেখেননি।
হালান্ড দু’টি গোল করে নরওয়েকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন। এই টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা এখন সাত, যা গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সমান।
হালান্ড বলেন, ‘আমি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না, কারণ জীবনে কখনো এমন কিছুর স্বপ্নও দেখিনি।’
তিনি বলেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে খেলব এবং দলকে বিশ্বকাপে নিয়ে আসব। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্রাজিলকে হারানোর কথা কখনো ভাবিনি। মনে হতো, কিছু জিনিস কখনো সম্ভব নয়। তবে মনে হচ্ছে, আমি ভুল ছিলাম।’
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের দুর্দান্ত অপরাজিত রেকর্ডও ধরে রেখেছে নরওয়ে। দুই দলের পাঁচ দেখায় নরওয়ের তিনটি জয় ও দু’টি ড্র রয়েছে।
সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ১১ জুলাই মিয়ামিতে নরওয়ে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের।
অন্যদিকে ব্রাজিল ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিলো। সেবার তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল।
নরওয়ের হয়ে মাত্র ৫৪ ম্যাচে ৬২ গোল করা ২৫ বছর বয়সী হালান্ড, বলেন, ‘জয়টা অবিশ্বাস্য। সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপে খেলার এবং ভালো পারফর্ম করার। কিন্তু নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে সাত গোল করা সত্যিই বিশেষ কিছু।’
হালান্ডের ভাষায়, ‘এটা অবাস্তব। ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না, আমি কেমন অনুভব করছি বা কী করে ফেলেছি। সবকিছুই যেন অবিশ্বাস্য লাগছে। নিজেকে চিমটি কেটে দেখতে হচ্ছে, কারণ অর্জনটা সত্যিই বিশাল।’


