প্রথমার্ধে আসেনি গোল, সমতায় বিরতিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড

একে অপরকে চাপে রাখলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ভাঙতে পারেনি কেউ। বরং প্রথমার্ধজুড়ে আলোচনায় ছিল একের পর এক শক্ত ট্যাকল, উত্তেজনা, হলুদ কার্ড। যেন দুই দলই শারীরিক লড়াইয়ে নেমেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
লিওনেল মেসিকে ঘিরে ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা প্রথমার্ধে বেশ কার্যকর ছিল
লিওনেল মেসিকে ঘিরে ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা প্রথমার্ধে বেশ কার্যকর ছিল |ইন্টারনেট

আটলান্টায় প্রথমার্ধ শেষে এখনো গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। শুরু থেকেই আক্রমণ–প্রতিআক্রমণে জমে ওঠা লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা কিছুটা বেশি বলের দখল রাখলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ ছিল বেশ সংগঠিত।

একে অপরকে চাপে রাখলেও শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ভাঙতে পারেনি কেউ। বরং প্রথমার্ধজুড়ে আলোচনায় ছিল একের পর এক শক্ত ট্যাকল, উত্তেজনা, হলুদ কার্ড। যেন দুই দলই শারীরিক লড়াইয়ে নেমেছে।

থমাস টুখেলের দল প্রথমার্ধে বলের দখলে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা তাদের সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। লিওনেল মেসিকে ঘিরে ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা প্রথমার্ধে বেশ কার্যকর ছিল।

মাঝমাঠে ডেকলান রাইস ও সতীর্থরা তাকে খুব বেশি স্বাধীনতা দেননি। বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইন কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও তা সফল হয়নি।

দুই দলই সুযোগ তৈরি করেছে পাল্টা আক্রমণে। তবে শেষ পাস ও ফিনিশিংয়ে ঘাটতির কারণে গোলের দেখা মেলেনি। দুই দলের গোলরক্ষকদেরও বড় কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি প্রথম ৪৫ মিনিটে।

তবে ম্যাচজুড়ে ছিল তীব্র শারীরিক লড়াই ও একাধিক ফাউল। প্রথম ১০ মিনিটেই আর্জেন্টিনা চারটি ফাউল করে, যা চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের প্রথম ১০ মিনিটে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাউলের রেকর্ড।

প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে ফাউল হয়েছে ১৯টি। ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা ও ৭টি ইংল্যান্ডেট। অন্যদিকে দুই দলের কেউই কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড পেয়েছেন অ্যান্ডারসন ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।

যাহোক, প্রথমার্ধে গোল না হলেও উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না। এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয়ার্ধে কোন দল তালা ভেঙে ফাইনালের পথে এগিয়ে যেতে পারে।