ইউরোপে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা

স্মরণীয় এই জয়ের দুটি গোলই করেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মন। দুই অর্ধে দুই গোল করে নতুন কোচ থমাস ডুলিকে জয়ে বরণ করলেন তপু বর্মনরা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশের করা ২ গোলই এসেছে তপু বর্মনের কাছ থেকে
বাংলাদেশের করা ২ গোলই এসেছে তপু বর্মনের কাছ থেকে |সংগৃহীত

ঐতিহাসিক জয়ে ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। শুক্রবার রাতে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে সান মারিনোর বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। ফলে এটিই হয়ে ওঠে বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য একটি ইতিহাস।

সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় আসে ২-১ গোলে। স্মরণীয় এই জয়ের দুটি গোলই করেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মন। দুই অর্ধে দুই গোল করে নতুন কোচ থমাস ডুলিকে জয়ে বরণ করলেন তপু বর্মনরা।

প্রথমার্ধের ১৯ মিনিটে ডান দিক থেকে মোরসালিনের ক্রসে তপু বর্মন হেড করে লিড এনে দেন বাংলাদেশকে। বিরতির আগে স্বাগতিক সান মারিনো সমতায় ফেরে। ৩১ মিনিটে ডান দিক দিয়ে বল নিয়ে ঢুকলে সান মারিনোর ফিলিপো বেরার্দিকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন তপু বর্মন। তিনি তপুকে ডস দিয়ে একটু সামনে বাড়িয়ে আড়াআড়ি পাস দেন নিকোলাসকে। কোনো ভুল করেননি সান মারিনোর ফরোয়ার্ড।

৫৩ মিনিটে ডান দিক থেকে সাদউদ্দিনের ক্রসে চলন্ত বলে শট নিয়েছিলেন ফাহিম। দ্বিতীয় পোস্টে লেগে ফাহিমের শক বাধাগ্রস্ত হলে দ্বিতীয়বার লিড নেয়া হয়নি বাংলাদেশের।

৬৮ মিনিটে বদলি বিশ্বনাথ ঘোষ সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন বাইরে মেরে। ৮৬ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন তপু বর্মন। হামজা চৌধুরীর নেয়া ফ্রি-কিক সান মারিনোর বক্সের মাথায় পড়লে শট নেন বিশ্বনাথ ঘোষ। সেই বলে হেড নিয়ে গতি বদলে দিয়ে পাঠিয়ে দেন জালে।

সান মারিনো ইউরোপের দেশ হওয়ায় জার্মানি, স্পেনের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সাথে খেলেন। তাই সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ অনেক। কারণ ইউরোপের মাটিতে ইউরোপের দলের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ও জয়। এর আগে বাংলাদেশ ২০০০ সালে ইংল্যান্ডে ভারতের বিপক্ষে খেললেও ম্যাচটি জিততে পারেনি। ২০০১ সালে ভারতে বসনিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ একাদশ

মিতুল মারমা (গোলকিপার), ইসা ফয়সাল, তপু বর্মণ, জামাল ভূইয়া (অধিনায়ক) (শায়িত সোম), শেখ মোরছালিন, হামজা চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম (ফাহামিদুল ইসলাম), ফয়সাল আহমেদ ফাহিম (বিশ্বনাথ ঘোষ), তারিক কাজী, মোহাম্মদ সোহেল রানা (কাজেম শাহ), সাদ উদ্দিন।