বেলজিয়ামকে বিদায় করে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন

ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুই দল একটি করে গোল করে সমতায় যায়। স্পেনের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ, আর বেলজিয়ামের পক্ষে সমতা ফেরান চার্লস ডি কেটেলায়েরে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শেষ সময়ে মিকেল মেরিনোর গোলে জয় পায় স্পেন
শেষ সময়ে মিকেল মেরিনোর গোলে জয় পায় স্পেন |সংগৃহীত

বেলজিয়ামকে বিদায় করে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে স্পেন। তবে এজন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয় শেষ সময় পর্যন্ত। ৮৭ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে ছিল ১-১ সমতা। শেষ মুহূর্তের গোলে নাটকীয় জয় পায় স্পেন।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তারা জিতেছে ২-১ ব্যবধানে। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এই প্রথমবারের মতো শেষ চারে জায়গা করে নিল লা রোজারা।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুই দল একটি করে গোল করে সমতায় যায়। স্পেনের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ, আর বেলজিয়ামের পক্ষে সমতা ফেরান চার্লস ডি কেটেলায়েরে।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি ও উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। দুই দলই একের পর এক আক্রমণ চালায় এবং গোলের একাধিক সুযোগ সৃষ্টি করে। বেলজিয়ামের হয়ে ম্যাক্সিম ডি কুইপার ও কেভিন ডি ব্রুইনে স্পেনের রক্ষণকে চাপে ফেললেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।

অন্যদিকে স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল ও মিকেল ওয়ারইয়াসাবাল বারবার পরীক্ষা নেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষককে। প্রথমে থিবো কুর্তোয়া এবং পরে ইনজুরির কারণে তার বদলি সেনে ল্যামেন্স একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।

তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় শেষ দিকে। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের মধ্যেই জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন মিকেল মেরিনো। পাও কুবারসির শট ল্যামেন্স ঠেকাতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে কাছ থেকে জালে পাঠিয়ে স্পেনকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

এবার সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ টানা দুই আসরের ফাইনালিস্ট ফ্রান্স।