দে কেটেলারের জোড়া গোলে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্র, কোয়ার্টারে বেলজিয়াম

শেষ বাঁশি বাজতেই স্তব্ধ হয়ে যায় লুমেন ফিল্ড। হাজারো স্বাগতিক সমর্থকের চোখে তখন হতাশা। নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের স্বপ্ন আর টিকল না যুক্তরাষ্ট্রের। তাদের বিধ্বস্ত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কেটেছে বেলজিয়ানরা।

ক্রীড়া ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয়ার পর বেলজিয়ামের খেলোয়াড়দের উদযাপন
যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয়ার পর বেলজিয়ামের খেলোয়াড়দের উদযাপন |সংগৃহীত

বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের গল্পটা বেশিদূর এগোল না। কানাডা ও মেক্সিকোর পর এবার বিদায় নিল যুক্তরাষ্ট্রও। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে চার্লস দে কেটেলারের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে স্বাগতিকদের ৪-১ গোলে হারিয়েছে বেলজিয়াম।

শেষ বাঁশি বাজতেই স্তব্ধ হয়ে যায় লুমেন ফিল্ড। হাজারো স্বাগতিক সমর্থকের চোখে তখন হতাশা। নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের স্বপ্ন আর টিকল না যুক্তরাষ্ট্রের। তাদের বিধ্বস্ত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কেটেছে বেলজিয়ানরা।

মঙ্গলবার ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বেলজিয়াম। নবম মিনিটেই ডোডি লুকেবাকিওর ক্রস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন চার্লস দে কেটেলার।

তবে ৩১তম মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে সমতা ফেরান যুক্তরাষ্ট্রের মালিক টিলম্যান। সেই আনন্দ অবশ্য স্থায়ী হয়নি। মাত্র দুই মিনিট পরই আবারলরো গোল করে বেলজিয়ামকে এগিয়ে দেন দে কেটেলার। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বেলজিয়াম।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় ইউরোপের দলটি। যুক্তরাষ্ট্র গোলের খোঁজে ওপরে উঠতেই রক্ষণে তৈরি হয় ফাঁকা জায়গা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন হান্স ভানাকেন।

আর এরপর যোগ করা সময়ে রোমেলু লুকাকু গোল করে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন। ম্যাচজুড়ে দুই গোলের পাশাপাশি একটি গোলে অবদান রেখে জয়ের নায়ক ছিলেন দে কেটেলার।

এই হারের মধ্য দিয়ে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে গেল যুক্তরাষ্ট্রের। আয়োজক তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—সবাই বিদায় নিল শেষ ষোলোর বাধা থেকেই।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে শুধু কোয়ার্টার ফাইনালই নিশ্চিত করেনি বেলজিয়াম, টুর্নামেন্টে নিজেদের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবেও আরো জোরালো বার্তা দিয়েছে। টানা ১৮ ম্যাচ অপরাজিত থেকে শেষ আটে উঠল তারা।