বিশ্বকাপ শেষেই অবসরে যাচ্ছেন ম্যানুয়েল ন্যয়ার

সংবাদ সম্মেলনে ন্যয়ার বলেন, ‘এটাই জার্মানির হয়ে আমার শেষ টুর্নামেন্ট। আগামী দুই বছর পর ইউরোতে খেলার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই। গত কয়েকদিন ধরে আমি এই সত্যটা মেনে নিয়েছি যে এগুলোই জার্মানির জার্সিতে আমার শেষ ম্যাচ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুর্দান্ত সেভে রক্ষা করলেন গোলপোস্ট
দুর্দান্ত সেভে রক্ষা করলেন গোলপোস্ট |সংগৃহীত

আধুনিক ফুটবলে গোলরক্ষকদের বড় প্রেরণা ম্যানুয়েল ন্যয়ার। জার্মান ফুটবলের এই কিংবদন্তির আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হতে চলেছে এবারের বিশ্বকাপ মঞ্চে। বিশ্বকাপ খেলেই বিদায় নিতে চান তিনি।

২০২৪ ইউরোর পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিয়েছিলেন ম্যানুয়েল ন্যয়ার। কিন্তু জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের আহ্বানে আবারো জাতীয় দলে ফেরেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক।

এবার অবশ্য আর কোনো অনিশ্চয়তা রাখলেন না—২০২৬ বিশ্বকাপই হবে জার্মানির জার্সিতে তার শেষ টুর্নামেন্ট। এরপরই প্রিয় দেশের জার্সিটা তুলে রাখবেন তিনি। তবে এর আগে জিততে চান আরো একটা বিশ্বকাপ।

২০১৪ সালের মতো আরেকবার বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তুলে নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে চান তিনি। নিজের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি স্মরণীয় করে রাখাই এখন তার একমাত্র লক্ষ্য।

আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ন্যয়ার বলেন, ‘এটাই জার্মানির হয়ে আমার শেষ টুর্নামেন্ট। আগামী দুই বছর পর ইউরোতে খেলার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই। গত কয়েকদিন ধরে আমি এই সত্যটা মেনে নিয়েছি যে এগুলোই জার্মানির জার্সিতে আমার শেষ ম্যাচ। তবে বিদায়ী কোনো স্মারকের দিকে তাকিয়ে আবেগপ্রবণ হতে চাই না, আমি প্রতিটি ম্যাচ উপভোগ করতে চাই।’

তিনি আরো জানান, ২০২৪ সালে অবসরের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না। তবে জাতীয় দলের প্রয়োজনে আবারো দায়িত্ব নিতে দ্বিধা করেননি। কারণ দেশের ডাক উপেক্ষা করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না।

তার ভাষায়, ‘ঘরের মাঠে ইউরো খেলে বিদায় নেয়াটা তখন সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ জাতীয় দলের অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপ আরো দুই বছর বহন করা কঠিন হতো।’

দীর্ঘ দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-১ গোলের জয়ে দারুণ পারফর্ম করেছেন ন্যয়ার। অভিজ্ঞতা আর নেতৃত্ব দিয়ে এখনো যে দলের অন্যতম ভরসা, সেটিও প্রমাণ করেছেন তিনি।