২৪ বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ ঘোচানোর স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছে কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল। তবে যাত্রার শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করে দুই মূল্যবান পয়েন্ট হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তাই গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না সেলেসাও শিবির। সেই লক্ষ্যেই আগামীকাল সকাল ৭টায় হাইতির মুখোমুখি হবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
ইতিহাস অবশ্য ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। হাইতির বিপক্ষে এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জিতেছে ব্রাজিল, তাও দাপুটে ব্যবধানে।
১৯৭৪ সালে প্রথম দেখায় ৪-০ গোলে জিতে ব্রাজিল। ২০০৪ সালে ব্যবধান আরো বড় হয় (৬-০)। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় ৭-১ গোলের বড় জয় তুলে নেয় সেলেসাওরা। তিন ম্যাচে ব্রাজিলের গোলসংখ্যা ১৭, বিপরীতে হাইতির মাত্র ১।
এবারো কাগজে-কলমে স্পষ্ট ফেবারিট ব্রাজিল। তারকায় ঠাসা স্কোয়াড নিয়ে আনচেলত্তির দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে প্রস্তুত। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে অতীতের পরিসংখ্যান সবসময় কাজে আসে না—একটি ভুল কিংবা একটি মুহূর্ত বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের গল্প।
এদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হচ্ছে নেইমারকে ঘিরে। পায়ের মাংসপেশির চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় হাইতির বিপক্ষেও মাঠে নামতে পারছেন না এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকায় তিনি দলের সাথে ফিলাডেলফিয়ায়ও যাচ্ছেন না।
নেইমার না থাকলেও ব্রাজিলের আক্রমণভাগে প্রতিভার অভাব নেই। তাই হাইতির বিপক্ষে বড় জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যই থাকবে আনচেলত্তির শিষ্যদের।
তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে চমকের ইতিহাসও কম নয়, এবারের বিশ্বকাপে ছোট দলগুলোও নজর কাড়ছে। এমতাবস্থায় চমক এড়াতে শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে সেলেসাওদের।



