জিম্বাবুয়ে সফরটা মোটেও ভালো কাটছে না বাংলাদেশের। সফরটা ভুলেই যেতে চাইবে টাইগাররা। টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও হেরে বসেছে সফরকারীরা।
ফলে আরো একটা সিরিজ হার এড়াতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বুলাওয়েতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হার এড়ানোর বিকল্প নেই তাওহীদ হৃদয়দের সামনে। জিততে পারলেই কেবল বেঁচে থাকবে সিরিজ জয়ের আশা।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ব্যাটিং। শুরুতে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে বড় জুটি গড়া যায়নি। মিডল অর্ডারও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ম্যাচটা হাতছাড়া হয়।
আজ তাই ওপেনারদের ভালো সূচনা ও মিডল অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের দিকেই তাকিয়ে থাকবে টিম ম্যানেজমেন্ট। চেয়ে থাকবে তানজিদ তামিম, তাওহীদ হৃদয়দের থেকে একটা বড় ইনিংস পেতে।
বোলিং বিভাগে আরো ধারাবাহিক হতে হবে। বিশেষ করে ডেথ ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিং না করতে পারলে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা আবারো ম্যাচ বের করে নিতে পারে। যেমনটা হয়েছে প্রথম ম্যাচে।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ ক্রিকেট খেলেছে জিম্বাবুয়ে।
সিরিজ নিজেদের করে নিতে তারা দ্বিতীয় ম্যাচেও একই ছন্দ ধরে রাখতে চাইবে। আর বাংলাদেশের চাওয়া সেই ছন্দ ভেঙে নিজেদের দাপট প্রতিষ্ঠা করা।
কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবের উইকেটে শুরুতে পেসাররা কিছুটা সহায়তা পেলেও ম্যাচ গড়ানোর সাথে সাথে ব্যাটিং সহজ হয়ে আসে। তাই টস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টিতেও পিছিয়ে বাংলাদেশ। তাই আজকের ম্যাচ শুধু একটি জয় নয়, সফরে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইও। স্বান্ত্বনা নিয়ে দেশে ফেরার শেষ সুযোগও বলা যায়।
অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য, নিজেদের মাটিতে আরেকটি সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপট অব্যাহত রাখা। যে লক্ষ্যে ঘরের মাঠে বেলা সাড়ে ৪টায় টাইগারদের মুখোমুখি হবে তারা।



