একটুর জন্য ২০০ পেরোলো না বটে, তবে বড় রানের সংগ্রহই পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান নিয়ে থেমেছে সফরকারীরা। জিততে হলে বাংলাদেশকে রেকর্ড গড়েই জিততে হবে।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এতো রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই। ২০১৪ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৯৩ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
বাংলাদেশ সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে অবশ্য সফরকারীদের দেয়া ১৮৩ রান তাড়া করে জিতেছিল। সেটাও আবার দুই ওভার হাতে রেখে। আজ অজিদের সেটাই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য টনিক।
অজিরা এতো বড় সংগ্রহ পাবার পেছনে বড় অবদান ম্যাট রেনশর। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে নিজের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন ৫২ বলে ৮৯ রান করে। এছাড়া ২৬ বলে ৪৫ রান করেন টিম ডেভিড।
অবশ্য বড় অবদান আছে বাংলাদেশের ফিল্ডারদেরও। নাহির রানার বলে দুবার জীবন পান রেনশ। একবার নিজের বলে ক্যাচ নিতে পারেননি, আরেকবার ক্যাচ মিস করেন নাসুম।
অবশ্য বল হাতে নাসুম আহমেদ ছাড়া সবাই ছিলেন কমবেশি খরুচে, নাসুম ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। আব্দুল গাফফার ৫৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট, রিশাদ হোসেন দেন ৪৬ রান।
সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আজ শুক্রবার টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে ফেরেন জশ ইংলিস। ৬ বলে ১১ রান করে আউট হন তিনি। এরপর নাহিদ ফেরান কোপার কনোলিকে।
তৃতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে করেছিলেন ৪৭ রান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ১ রানে নাহিদ রানার বলে স্লিপে ক্যাচ দেন কনোলি। ৩৪ রানে ২ উইকেট হারায় অজিরা।
পরের উইকেট নেন মোস্তাফিজ। ১৯ বলে ২০ রান করা অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক মিচেল মার্শকে ফেরান তিনি। পাওয়ার প্লেতে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারায় অজিরা। এরপরই রেনশ ও টিম ডেভিড হাল ধরেন।
দু’জনের জুটিতে ৫০ বলে আসে ৯৭ রান। ডেভিডকে ফিরিয়ে সাকলায়েন জুটি ভাঙলেও অপরাজিত থাকেন রেনশ। শেষ দিকে ১৩ রান করেন জুয়েল ডেভিস।



