অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স : তাওহীদ হৃদয়

১৮২ রান তাড়ায় দলের ওপর চাপ ছিল অনেক। কিন্তু সেই চাপ গায়ে মাখেননি তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও শামীম হোসেন। তাদের চমৎকার ব্যাটিংয়ে ২ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় বাংলাদেশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয়
ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় |নয়া দিগন্ত

নিউজিল্যান্ডকে গতকাল যেভাবে হারিয়েছে বাংলাদেশ, অতীতের দিকে তাকালে এমন জয় দেশের ক্রিকেটে বিরল। শেষ কবে রান তাড়া করে এমনভাবে জিতেছে টাইগাররা, তা মনে করা কঠিন।

১৮২ রান তাড়ায় দলের ওপর চাপ ছিল অনেক। কিন্তু সেই চাপ গায়ে মাখেননি তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও শামীম হোসেন। তাদের চমৎকার ব্যাটিংয়ে ২ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় বাংলাদেশ।

ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের দিনে নায়ক হৃদয়। ২৭ বলে তিনি খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। এছাড়া ৩ চার ও ২ ছক্কায় মাত্র ১৩ বলে ৩১ রান করেন শামীম। আর ইমনের ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ২৮ রান।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে চাপের মুখে দারুণ ব্যাটিংয়ে এই জয়ের পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন হৃদয়। যেখানে তিনি জানান ইমনের ব্যাটিং দেখেই সাহসী হয়ে উঠেন তারা।

তিনি বলেন, ‘কথায় আছে, অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যদি বেশি আগলে থাকেন, তাহলে হয় না। ইমন যেটা করেছে, পরিষ্কার ছিল কী করবে ও সে ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা কাজে লেগেছে।’

কী পরিকল্পনা ছিলো নিজের, হৃদয় তাও স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা ছিল আক্রমণ করব। যদি তা না করতে পারি, তাহলে হয়তো কঠিন হয়ে যেত টিমের জন্য। আমি শুধু চেষ্টা করেছি যতটুকু অ্যাটাক করা যায়।’

নিজে ফিফটি করলেও হৃদয় উচ্ছ্বসিত শামীম-ইমনের ব্যাটিং নিয়ে। তাদের প্রশংসা করে বলেন, ‘টোয়েন্টিতে ১০ রানও কার্যকর ইনিংস হতে পারে, যেটা আজকে শামীম ও ইমন দেখিয়েছে। আমার মনে হয় এটা ফিফটির থেকেও বড় ইনিংস।’

‘দু’জন মিলে যা করেছে, তাতে ম্যাচটা জেতা আরো সহজ হয়ে গিয়েছে। ইমন যে সময়টা অ্যাটাক করেছে, সেটা আমার জন্য সহজ করেছে। তখন মনে হয়েছে খেলাটা আমাদের হাতে চলে এসেছে।’

অবশ্যই ইমন আর শামীম- দু’জনকেই ক্রেডিট দিতে হয়, ওরা খুব ভালো ফিনিশ করেছে বলে মন্তব্য করেন তাওহীদ হৃদয়।