পরপর দুই উইকেট হারিয়েই ম্যাচ ফসকেছে বাংলাদেশের : ইমন

‘আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছিলাম। আমার মনে হয়েছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতি ছিল আমার আর সাইফ ভাইয়ের উইকেট দু’টি পরপর পড়ে যাওয়া। ওই জায়গাতেই আমরা একটু পিছিয়ে গেছি। না হলে ম্যাচটা খুব সুন্দরভাবেই এগোচ্ছিল।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পারভেজ হোসেন ইমন
পারভেজ হোসেন ইমন |সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্মবিশ্বাসী শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরুতে ব্যাটাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলেও হঠাৎ করেই পর ছন্দ হারায় দল।

পারভেজ হোসেন ইমনের বিশ্বাস তিনি ও সাইফ হাসান চার বলে মাঝে বিদায় নেয়ায় ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় এবং লক্ষ্য পূরণের পথ কঠিন হয়ে ওঠে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইমন বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছিলাম। আমার মনে হয়েছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতি ছিল আমার আর সাইফ ভাইয়ের উইকেট দু’টি পরপর পড়ে যাওয়া। ওই জায়গাতেই আমরা একটু পিছিয়ে গেছি। না হলে ম্যাচটা খুব সুন্দরভাবেই এগোচ্ছিল।’

ইমনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে প্রায় ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হলে একজন ব্যাটসম্যানকে শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে বড় ইনিংস খেলতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটাররা ভালো শুরু পেলেও কেউই ইনিংসটিকে বড় স্কোরে রূপ দিতে পারেননি।

‘এ ধরনের রান তাড়া করতে হলে একজনের বড় ইনিংস খেলতেই হয়। আমরা প্রায় সবাই ৩০-৪০ রানের মধ্যে আউট হয়েছি। আমাদের মাঝের যেকোনো একজন যদি ওই রানকে বড় স্কোরে রূপ দিতে পারত, তাহলে ম্যাচটা তাড়া করা অনেক সহজ হতো।’

সাইফ হাসানের আউট প্রসঙ্গেও কথা বলেন ইমন। তার মতে, ক্রিকেটে ভুল হতেই পারে, তবে সেটি থেকে দ্রুত শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোই গুরুত্বপূর্ণ।

‘লম্বা সময় ব্যাট করতে পারলে অবশ্যই আমাদের জন্য ভালো হতো। কিন্তু আমরা তো মানুষ, ভুল হতেই পারে। আশা করি, তিনি পরের ইনিংসেই এটা থেকে বেরিয়ে আসবেন।’

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়ার কৌশল নিয়েও নিজের ভাবনা তুলে ধরেন এই ওপেনার। তার বিশ্বাস, একজন ব্যাটসম্যানকে ইনিংসের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খেলতে হবে, আর সুযোগ পেলেই বাউন্ডারি থেকে রান তুলতে হবে।

‘আমার মনে হয়, আমাদের দলে ধরে খেলার মতো ব্যাটসম্যান আছে। হৃদয় ভাই নিয়মিতই এই কাজটা করে। সাইফ ভাইও আজ সেটা করার চেষ্টা করেছে।’