এক ম্যাচের ব্যবধানে একই গল্প, শুধু এবার শেষটা বদলে গেল। নামিবিয়ার বিপক্ষে ৭৫ রান করেও দলকে জেতাতে পারেননি ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তবে এবার সমান রান করেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় এনে দিলেন বিধ্বংসী এই ব্যাটার।
ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্বাগতিক নামিবিয়ার কাছে হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শনিবার উইন্ডহুকে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা। জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৪৫ রানের লক্ষ্য মাত্র ১৩.৪ ওভারে পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।
এই জয়ের নায়ক ব্রেভিস। ৩২ বলে অপরাজিত ৭৫ রান করেছেন তিনি। ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা। পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। প্রথম ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে ৫০ বলে সমান ৭৫ রান করেও দলকে জেতাতে পারেননি ব্রেভিস।
জিম্বাবুয়ের শুরুটা অবশ্য ছিল বেশ ভালো। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৭৬ রান তোলে তারা। কিন্তু এরপরই দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। শেষ ১০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬৮ রান যোগ করতে পারে জিম্বাবুয়ে।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। ৩৫ বলে তার ইনিংসে ছিল সীমিত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। শেষ দিকে টাডিওয়ানাশে মারুমানি ১৩ বলে ৩০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৪৪ রানেই থামে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মাঝে সবচেয়ে সফল ডুয়ান ইয়ানসেন। চার ওভারে ৪৫ রান দিলেও ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
১৪৫ রান তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটাও ছিল দ্রুতগতির। লুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২২ ও জর্ডান হারম্যান ১৩ বলে ২০ রান করে দলকে ভালো ভিত্তি এনে দেন। এরপর তিন নম্বরে নেমেই ঝড় তোলেন ব্রেভিস।
প্রথম বলেই ছক্কা মেরে শুরু। সপ্তম ওভারে গ্রায়েম ক্রিমারের এক ওভারে পরপর দু’টি ছক্কা হাঁকান তিনি। একই ওভারে আরেকটি ছক্কা মেরে মাত্র ২৪ বলে পূর্ণ করেন নিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি।
টনি ডি জর্জি ১৫ রান করে ফিরে গেলেও থামেনি ব্রেভিস-ঝড়। রুবিন হারম্যানকে সাথে নিয়ে মাত্র ১৩.৪ ওভারে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন এই তরুণ ব্যাটসম্যান। হারম্যান ৭ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন।



