দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দলকেও পূর্ণ সম্মান দিচ্ছে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের তুলনায় নিউজিল্যান্ড বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে কিনা? প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘পাকিস্তানেরও কিন্তু ভালো পেসার আছে। নিউজিল্যান্ড হয়তো আমাদের ভিন্নভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ফিল সিমন্স
ফিল সিমন্স |ফাইল ছবি

চুক্তিবদ্ধ ১৫ ক্রিকেটার ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। চুক্তিবদ্ধ ১২ ক্রিকেটার খেলছেন আইপিএলে। বাকিদের মাঝে দুই ক্রিকেটার খেলছেন পিসএসএলে।

স্বাভাবিকভাবেই নিউজিল্যান্ডের এই দলটা পূর্ণ শক্তির নয়। বলা যায় দ্বিতীয় সারির একটা দল নিয়েই ঢাকায় পা রেখেছে তারা। তবে সফরকারীদের দুর্বল ভাবতে নারাজ ফিল সিমন্স।

বরং তিনি মনে করেন কিউইরা বাংলাদেশকে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ দিতে পারে। তবে তার দলও সবকিছুর জন্য প্রস্তুত। বুধবার সিরিজ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ বলেন-

‘আমি দ্বিতীয় সারির দল বলব না। যেকোনো দেশ যে দল পাঠায় সেটাই তাদের সেরা দল, বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মতো দেশের ক্ষেত্রে। সেখানে সবসময় নতুন খেলোয়াড় উঠে আসে। ’

‘এই খেলোয়াড়রা সবাই ঘরোয়া ক্রিকেটে সব ফরম্যাটেই অনেক ম্যাচ খেলেছে। তাই তারা অভিজ্ঞ ও পরিণত ক্রিকেটার। তাই ‘দ্বিতীয় দল’ ভাবার সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিষয়টা এভাবে কাজ করে না।’

গত সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। ২-১ ব্যবধানে সিরিজও জিতেছে টাইগাররা। এবারো একই উইকেটে খেলতে চান সিমন্স।

‘আমরা ভালো উইকেট চাইছি, কারণ আমার মনে হয় ভালো উইকেটে খেললে দল দ্রুত উন্নতি করে। তাই যতটা সম্ভব সেই ধরনের উইকেট পাওয়ার চেষ্টা করছি।’

পাকিস্তানের তুলনায় নিউজিল্যান্ড বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে কিনা? প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘পাকিস্তানেরও কিন্তু ভালো পেসার আছে। নিউজিল্যান্ড হয়তো আমাদের ভিন্নভাবে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।’

‘তবে আমরা সব ধরনের চ্যালেঞ্জের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। পাকিস্তান সিরিজের আগেও যেমন প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, এখানেও একইভাবে করছি। আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের অপেক্ষায় আছি।’