ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের ডামাডোলের মাঝেই মাঠে গড়াচ্ছে আরো এক ফাইনাল। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। বুলাওয়েতে বেলা সাড়ে ৪টায় গড়াবে এই লড়াই।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হতাশাজনক হারের পর ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ফেরায় ১-১ সমতা। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি কেবল সিরিজ জয়ের নয়, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও। জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে সফর শেষ করার সুযোগ টাইগারদের।
তবে খুব একটা সহজ হবে না। নিজেদের মাঠে বড় দুই ফরম্যাট জয়ের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও নিজেদের করে নিতে মরিয়া স্বাগতিকরা। বাংলাদেশকে খালি হাতেই বিমানে উঠাতে চাইবে সিকান্দার রাজার দল।
বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে দ্বিতীয় ম্যাচের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স। ব্যাট হাতে লড়াকু সংগ্রহ গড়ার পর বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছে টাইগাররা। বিশেষ করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও রিশাদ হোসেন দলকে উজ্জীবিত করতে পারেন।
এছাড়া আগের ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। গড়েন ১২০ রানের রেকর্ড জুটি। আজ শেষ ম্যাচে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ব্যাটিংয়ের সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।
তবে নির্ধারণী ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম নাহিদ রানা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বোলিংয়ের সময় সাইড স্ট্রেইনের মতো চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই গতিময় পেসার। তাকে ছাড়াই আজ একাদশ সাজানো হতে পারে।
অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের আত্মবিশ্বাসের বড় জায়গা তাদের টপ অর্ডার ও ঘরের মাঠের সুবিধা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তারা প্রমাণ করেছে, চাপের মুহূর্তেও ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার সামর্থ্য তাদের আছে।
সব মিলিয়ে বুলাওয়ের বিকেলটি হতে যাচ্ছে উত্তেজনায় ভরপুর। একদিকে সিরিজ বাঁচানোর, অন্যদিকে সিরিজ জয়ের লড়াই। ২০ ওভারের এই মহারণ শেষে হাসবে কে—বাংলাদেশ, নাকি জিম্বাবুয়ে—সেই উত্তর মিলবে আজ সন্ধ্যাতেই।



