ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আম্পায়ার, কোচ, স্কোরার, ট্রেইনার, ফিজিও এবং ক্রিকেটের সাথে সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা ও পারিশ্রমিকের কাঠামো পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল জানান, নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিকে সুবিধা দেয়া বোর্ডের লক্ষ্য নয়। দেশের ক্রিকেটের পুরো অবকাঠামোকে আরো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বোর্ড।
কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তামিম বলেন, ‘শুধু খেলোয়াড়দের বিষয় নয়, সবার বিষয়ই দেখা হচ্ছে। কর্মচারী, স্কোরার, আম্পায়ার, কোচ, ট্রেইনার বা ফিজিও, যে ভালো কাজ করছে, সবার পারিশ্রমিক ও বেতন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘খুব শিগগিরই তাদের জন্য একটি মানসম্মত বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) না থাকার ক্ষতি পুষিয়ে দিতেই ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে- এমন ধারণা বা গুঞ্জনও নাকচ করে দিয়েছেন তামিম।
তিনি জানান, ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শুধু খেলোয়াড়দের খুশি করার জন্য যদি এটি করতাম, তবে হয়তো এক বছরের জন্যই করতাম।
তখন বলতাম যে, আমি এটি এক বছরের জন্য বাড়াচ্ছি এবং পরের বছর বিপিএল শুরু হলে সবকিছু আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু আমরা দীর্ঘমেয়াদে কিছু করতে চেয়েছিলাম।’
তামিমের মতে, ঘরোয়া মৌসুমে নিয়মিত খেলা একজন ক্রিকেটার ক্লাব প্রতিযোগিতা, প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট এবং প্রিমিয়ার লিগ মিলিয়ে বছরে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করতে পারেন।
তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে নিয়মিত বিপিএল আয়োজন করা হলে সেটি ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য আয়ের বাড়তি সুযোগ তৈরি করতে পারে।
তামিম বলেন, ‘জাতীয় দলের সুযোগের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে ক্রিকেটাররা যাতে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেই সম্মানজনক আয় করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বোর্ড একটি নতুন আর্থিক কাঠামো নিয়ে কাজ করছিল।’



