অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ ও নিজেকেই সভাপতি দাবি বুলবুলের

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের মতে, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষী কিছু সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক বোর্ডকে অস্থিতিশীল করতে এই নির্বাচন ফিক্সিংয়ের গল্প সাজাচ্ছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
আমিনুল ইসলাম বুলবুল |সংগৃহীত

তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এমনকি সঙ্কট নিরসনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হস্তক্ষেপ চেয়েছেন সদ্য সাবেক এই সভাপতি।

সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তার পর্ষদকে ভেঙে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমন দাবি করেছেন তিনি। একইসাথে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) জমা হওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। এছাড়া এনএসসির তদন্ত কমিটির করা প্রতিবেদনের আইনগত ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালি ও আইনগত ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন বুলবুল। জানান, সংবিধান মেনেই তিনি বিগত নির্বাচন পরিচালনা করছেন।

তার মতে, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষী কিছু সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক বোর্ডকে অস্থিতিশীল করতে এই নির্বাচন ফিক্সিংয়ের গল্প সাজাচ্ছেন। এছাড়া অ্যাডহক কমিটিকে তিনি সাংবিধানিক ক্যু হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিসিবির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার আইনি অধিকার এনএসসির নেই। এটি আইসিসির গঠনতন্ত্রের সরাসরি লঙ্ঘন।

তাদের এমন পদক্ষেপ বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই বুঝতে হবে সরকার আমাদের ক্রিকেটীয় স্বায়ত্তশাসনের গলায় ছুরি ধরেছে।’

বর্তমানের সরকারের এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য কালো অধ্যায় হিসেবে বর্ণনা করে তিনি আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। শেষে আইসিসির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে আমাদের নির্বাচিত বোর্ডের পবিত্রতা রক্ষায় অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি। নির্বাচিত বোর্ডের বৈধতা রক্ষায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়া উচিত।’

তিনি দাবি করেন, আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত তিনি বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।