সিরিজ মীমাংসার তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড।
আজ শনিবার (২ মে) ঢাকার মিরপুরে বেলা ২টায় মুখোমুখি হবে দুই দল।
চট্টগ্রামে জয় দিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠেই নামতে পারেনি টাইগাররা। মাটিতে গড়ায়নি বল। বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মধ্যকার ম্যাচটি।
আবহাওয়া এতোটাই খারাপ ছিল যে, দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে টসই করা যায়নি। সাগরিকার ড্রেসিংরুমে বসে থেকেই টিম হোটেলে ফিরে যান ক্রিকেটাররা।
এই মাঠে শেষবার দুই দল টি-টোয়েন্টি খেলেছিল বছর পাঁচ আগে, ২০২১ সালে। ৫ ম্যাচের সেই সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে স্বাগতিকেরা জিতলেও শেষ ম্যাচটা হেরেছিল বাংলাদেশ। যা সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলকে দিতে পারে খানিকটা আত্মবিশ্বাস। যদিও এই ম্যাচ জিতলেও তাদের সিরিজ জেতা সম্ভব নয়। তবে অন্তত সমতা নিয়েই দেশে ফিরতে চাইবে কিউইরা।
সেটা অবশ্য করতে দিতে চাইবে না বাংলাদেশ। চাইবে না টগবগ করে ফুটতে থাকা আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাতে। প্রথম ম্যাচ যেভাবে জিতেছে দল, সেই দাপট ধরে রাখতে হলেও জয়টা জরুরি।
ম্যাচের আগে (শুক্রবার) সংবাদ সম্মেলনেও সেই বার্তাই দিয়েছেন শামীম পাটোয়ারী।
জানালেন পুরনো রেসিপি ধরেই সিরিজ জিততে চান তারা।
তিনি বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে আমরা যে ইন্টেন্ট দেখাতে পেরেছি, পরের ম্যাচে এটা ধরে রাখতে চাই। আমাদের ভালো একটি সুযোগ আছে সিরিজ জয়ের। অবশ্যই চাইব জেতার জন্য খেলার।’
এই সিরিজের পর বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের খানিকটা বিরতি। এই মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যস্ত থাকবেন ক্রিকেটাররা। ঘরের মাঠে নাজমুল হোসেন শান্তর দল খেলবে দুই টেস্ট।
টি-টোয়েন্টিতে পরের সিরিজ আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিউইদের বিপক্ষে জয় দিয়ে শেষ করতে পারলে এই বিরতি হবে মধুর, পরের সিরিজের জন্যও মিলবে প্রেরণা। আর তেমনটাই চাইবেন লিটন দাস।
এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২২বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে ৫টি ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। ১৫ ম্যাচে জয় আছে কিউইদের। ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।



