মিরপুরে বৃষ্টি, বন্ধ খেলা

টসে জিতে আগে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান তোলার পর মিরপুরে নেমেছে বৃষ্টি। বন্ধ আছে খেলা। খেলোয়াড়েরা সাজঘরে ফিরেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান তোলার পর মিরপুরে নেমেছে বৃষ্টি
অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান তোলার পর মিরপুরে নেমেছে বৃষ্টি |সংগৃহীত

৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। মনে হচ্ছিলো হয়তো দ্রুত গুটিয়ে যাবে দলটা। তবে সেখান থেকে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে অজিরা পৌঁছে যায় দুই শ’র দোরগোড়ায়।

মার্নাস লাবুশেন ও জাভিয়ের বার্টলেটের সপ্তম উইকেট জুটিই পথ দেখায় অজিদের। দুজনে ১১৫ বলে ১০৪ রানের জুটি গড়ে লড়াই করার একটা পুঁজি এনে দিয়েছেন। যদিও ইনিংস শেষ হয়নি এখনো।

টসে জিতে আগে ব্যাট করা অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান তোলার পর মিরপুরে নেমেছে বৃষ্টি। বন্ধ আছে খেলা। খেলোয়াড়রা সাজঘরে ফিরেছেন।

তবে বৃষ্টির আগেই বাংলাদেশের শিবিরের স্বস্তি ফেরান তাসকিন আহমেদ। থিতু হয়ে যাওয়া বার্টলেটকে থামান তিনি। আগের ৫ ইনিংসে মাত্র ১২ রান করা এই অলরাউন্ডার আউট হন ফিফটি তুলে।

৪০.২ ওভারে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ক্যারিয়ার সেরা ৪৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। পরের বলেই তাসকিন বোল্ড করে দেন অ্যাডাম জাম্পাকে (০)। ১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারায় অজিরা।

তবে এরপর বৃষ্টি নামলে আপাতত বন্ধ আছে খেলা। ৮৫ বলে ৫৫ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন লাবুশেন। সাথে আছেন নাথান এলিস (২)।

এর আগে বল হাতে অবিশ্বাস্য শুরু পায় বাংলাদেশ। কোনো রান যোগ করার আগেই ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আর ঘটেনি অজিদের সাথে। আর বিশ্ব ক্রিকেটে দেখা গেল মাত্র চতুর্থবার!

আগের ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে গিয়েছিলেন ম্যাথু শর্ট, বোলার ছিলেন তাসকিন আহমেদ। এবারো তাসকিনের বলেই বোল্ড হয়েছেন শর্ট, কেবল একটুখানি বেড়েছে অপেক্ষা। চতুর্থ বলে আউট হন তিনি।

সেই রেশ কাটতে না কাটতেই জোড়া উপলক্ষ এনে দেন মোস্তাফিজ। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে ফেরান কুপার কনোলিকে। ওভারের শেষ বলেও জাদু দেখান মোস্তাফিজ।

এবার তার শিকার ম্যাট রেনশ। ৫ বল খেলে তিনিও খুলতে পারেননি রানের খাতা। ৩ ওভার শেষে স্কোর ০/৩! অবিশ্বাস্যই বটে। এমন কিছু হয়তো সুদূর কল্পনাতেও আসেনি বাংলাদেশের সমর্থকদের।

এমনকি প্রথম রান পেতে অজিদের অপেক্ষা করতে হয় ২০ নাম্বার বল পর্যন্ত। তবুও তাসকিন নো বল করায় রান যোগ হয় তাদের স্কোরবোর্ডে। পরে ওই ওভারেই রানের খাতা খোলেন জশ ইংলিস।

অজিরা ৪র্থ উইকেট হারায় ২৫ রানে।মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারি। শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৭ বলে ১৩ করে। তবে এরপর ধাক্কা সামলে উঠার চেষ্টা করে অজিরা।

জশ ইংলিস ও ক্যামেরন গ্রিন মিলে জমিয়ে তুলছিলেন জুটিটা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, জুটি ভেঙে দেন তানভীর। ১৮তম ওভারে এসে ফেরান অজি অধিনায়ককে। ৩৮ বলে ৩৪ করে আউট হন ইংলিস।

ক্যামেরন গ্রিন ফেরেন দলীয় ৮১ রানে তানভীরেরই দ্বিতীয় শিকার হয়ে। এরপর জমে ওঠে বার্টলেট ও লাবুশেনের জুটি। দুজনেই তুলে নেন ফিফটি।