সংবাদমাধ্যমে ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দের ব্যবহার ব্যাপকহারে বেড়েছে

পাশাপাশি ‘মাশাআল্লাহ’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’-এর পার্থক্য জানার আগ্রহ বেড়েছে প্রায় ১,৮০০ শতাংশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রতীকী ছবি

ইংরেজি ভাষার মূলধারার সংবাদমাধ্যম ও দৈনন্দিন কথোপকথনে আরবি শব্দ ‘ইনশাআল্লাহ’-এর ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।

দ্য ন্যাশনাল-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৭ সালের তুলনায় ইংরেজি সংবাদমাধ্যমে এই শব্দটির উল্লেখ বর্তমানে তিন গুণ বেড়েছে।

‘আল্লাহ যদি চান’ অর্থবোধক এই শব্দটি এখন আর কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম ও পপ সংস্কৃতিতে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গ্লোবাল নিউজ ডেটাবেস বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পশ্চিমা বিশ্বে এই শব্দের গ্রহণযোগ্যতা তৈরির পেছনে একাধিক ঘটনা কাজ করেছে।

২০১৭ সালে লিন্ডসে লোহানের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট, ২০১৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম মুসলিম নারী প্রতিনিধি নির্বাচন এবং ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিতর্কে জো বাইডেনের মুখে এই শব্দের প্রয়োগ সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এর ব্যবহারকে ত্বরান্বিত করেছে।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং বিশ্বজুড়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের ফলে পশ্চিমা দর্শকদের কাছে শব্দটি আরো পরিচিতি পেয়েছে।

সম্প্রতি অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথওয়ের একটি সাক্ষাৎকারের ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আবারো আলোচনায় আসে।

শব্দটির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে ইন্টারনেটে মানুষের কৌতূহলও বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে গুগল সার্চে ‘ইনশাআল্লাহ’-এর অর্থ খোঁজার প্রবণতা ১৩০ শতাংশ বেড়েছে।

পাশাপাশি ‘মাশাআল্লাহ’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’-এর পার্থক্য জানার আগ্রহ বেড়েছে প্রায় ১,৮০০ শতাংশ।

তবে, খুশির খবর হলো- কেবল ‘ইনশাআল্লাহ’ নয়, ‘হাবিবাতি’ (আমার প্রিয়) বা ‘মাশাআল্লাহ’-এর মতো আরবি শব্দগুলোও এখন ইংরেজিভাষী সমাজে অনূদিত না হয়েই ব্যবহৃত হচ্ছে।