ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য তেলের দর নিয়ন্ত্রণ, ইরান দ্বিতীয় স্থানে : জেডি ভ্যান্স

Printed Edition

দ্য ডন

ইরানের সাথে সামরিক টানাপোড়েনের মধ্যে পরমাণু প্রযুক্তির বিকাশ ঠেকানোর চেয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেলের দাম স্বাভাবিক রাখাকেই প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম ও মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দর কমানো এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা তাদের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।

সাময়িক পতনের পর বিশ্ববাজারে তেলের দর পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ওয়াশিংটনের তরফ থেকে এই কৌশলগত অগ্রাধিকারের বিষয়টি সামনে এলো। সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৮ দশমিক ৫০ ডলারে এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৮২ দশমিক ৮১ ডলারে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে আগামী সপ্তাহে নতুন প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ঘোষণা আসছে। জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী ঘিরে মার্কিন নৌবাহিনীর অনির্দিষ্টকালের সামরিক অবরোধ এবং ইরানের কঠোর পাল্টা অবস্থানের কারণে বিশ্ব তেল বাজারে তীব্র মন্দা ও সরবরাহ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইউএইর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ডব্লিউএএম’-এর তথ্যমতে, প্রণালীটি দিয়ে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নজিরবিহীনভাবে হ্রাস পাওয়ার মধ্যেই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির দু’টি জাহাজে আক্রমণ চালানো হয়েছে। এই ঘটনাকে ইরানের সরাসরি হামলা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ।