বাকৃবি প্রতিনিধি
উচ্চশিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দ্বৈত ডিগ্রি কর্মসূচি চালুর লক্ষ্যে একটি জাতীয় কাঠামো (ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক) তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল গেস্ট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও বাকৃবি। সভার প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডেভেলপমেন্ট অব আ-ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক ফর জয়েন্ট পার্টনারশিপ ইন হায়ার এডুকেশন সেক্টর বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট এবং উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ড. গ্রেস মুকুপা। তিনি বর্তমানে ইউজিসির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি বাস্তবসম্মত আন্তর্জাতিক ডুয়াল ডিগ্রি ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নে কাজ করছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আলীম, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, ভেটেরিনারি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আমিরুল ইসলাম, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো: রুহুল আমিন।
অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো: সামছুল আলম, আইআইএফএসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: মাহবুব আলম, রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মো: জহিরুল আলম এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং বিদেশী শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ ও বৈশ্বিকমানের সাথে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন নীতিগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বাংলাদেশের জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী অর্জিত ক্রেডিটকে যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি ইউনিট পদ্ধতির সাথে সমন্বয় করা। পাশাপাশি পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য, ক্রেডিট স্থানান্তর এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অর্জনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।



