মাদরাসাছাত্রী সামিয়া হত্যা একবছরে মেলেনি বিচার তদন্তে ধীরগতি

Printed Edition

লাকসাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

লাকসামের ইক্বরা মহিলা মাদরাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সামিয়ার (১৩) রহস্যজনক মৃত্যুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি প্রকৃত কারণ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ওই কিশোরী যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার প্রমাণ মিললেও পুলিশ এখন পর্যন্ত অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারেনি। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে মাদরাসার পাঁচতলা ভবনের নিচ থেকে সামিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, জানালা দিয়ে পালাতে গিয়ে সে নিচে পড়ে যায়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে সামিয়ার শরীরে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে।

সামিয়ার মা শারমিন আক্তারের অভিযোগ, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাপ দিচ্ছেন। পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে চায়নি এবং পরে আটজনের নাম দিলেও অজ্ঞাতনামা হিসেবে মামলা রেকর্ড করেছে। এক বছরেও আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে পরিবারটি।

লাকসাম থানার ওসি মাকসুদ আহাম্মদ বলেন, ময়নাতদন্তে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি এসেছে। তবে তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে।