১২ স্টেডিয়ামে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সর্বশেষ ২০০৩ সালে আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের সাথে যৌথ আয়োজক ছিল কেনিয়া। দীর্ঘ ২৪ বছর পর আফ্রিকা মহাদেশে ফিরছে ৫০ ওভারের ক্রিকেটের এই মেগা ইভেন্ট। ২০২৭ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ১২টি ভেনু চূড়ান্ত হয়েছে। জোহানেসবার্গে এক অনুষ্ঠানে যৌথ আয়োজক তিন দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার স্টেডিয়ামগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের আসরের মূলভাব বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘থ্রি নেশনস, ওয়ান হার্টবিট’ (তিন দেশ, এক স্পন্দন), যা বিশ্বের ওই অঞ্চলের বৈচিত্র, আশাবাদ ও ভ্রাতৃত্ববোধের প্রতীক। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৪ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে।

যেসব ভেনুতে হবে ২০২৭ বিশ্বকাপের ম্যাচ

দক্ষিণ আফ্রিকা (আটটি ভেনু)

ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম (জোহানেসবার্গ), সেঞ্চুরিয়ন (তশোয়ানে), নিউল্যান্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড (কেপটাউন), কিংসমিড ক্রিকেট গ্রাউন্ড (ডারবান), সেন্ট জর্জেস পার্ক (গেবেরহা), মাঙ্গুয়াং ওভাল (ব্লুমফন্টেইন), বোল্যান্ড পার্ক (পার্ল) ও বাফেলো পার্ক (কুগোমপো সিটি, সাবেক ইস্ট লন্ডন)।

জিম্বাবুয়ে (তিনটি ভেনু)

হারারে স্পোর্টস ক্লাব (হারারে), কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব (বুলাওয়ে) ও ফালে মোসি-ওয়া-টুনিয়া ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম (ভিক্টোরিয়া ফলস)।

নামিবিয়া (একটি ভেনু)

নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ড (উইন্ডহুক)।

নতুন ফরম্যাটে বিশ্বকাপ

১৪ দলের এই টুর্নামেন্টে মোট ৫৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও দর্শকদের রোমাঞ্চ বাড়াতে এবার তিন ধাপের নতুন ফরম্যাট (সুপার সিরিজ, গ্রুপ পর্ব, সুপার সেভেন, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল) তৈরি করা হয়েছে।

সুপার সিরিজ : র‌্যাংকিংয়ের ১২ থেকে ১৪ নম্বরে থাকা দলগুলোকে নিয়ে একটি ‘সুপার সিরিজ’ অনুষ্ঠিত হবে। এখান থেকে বিজয়ী দল মূল পর্বে জায়গা করে নেবে।

গ্রুপ পর্ব : ১২টি দল দু’টি গ্রুপে (প্রতি গ্রুপে ছয়টি দল) ভাগ হয়ে মোট ৩০টি ম্যাচ খেলবে।

সুপার সেভেন, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল

দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে দল এবং অন্যদের মধ্যে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে থাকা একটি দল নিয়ে মোট সাত দলের ‘সুপার সেভেন’ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এখানে ২১টি রাউন্ড-রবিন ম্যাচ শেষে শীর্ষ চার দল যাবে সেমিফাইনালে।

পয়েন্ট তালিকার এক নম্বর দল খেলবে চতুর্থ দলের বিপক্ষে, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পরস্পরের বিপক্ষে খেলবে। সবশেষে দুই সেমিফাইনালের বিজয়ী দু’টি দল ফাইনাল খেলবে।