রয়টার্স
ইউক্রেন যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটাতে নতুন করে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে তিনি একটি বিশেষ বৈঠকে বসবেন। হোয়াইট হাউজের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ট্রাম্পের এই সম্মেলনে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। তুরস্কে পৌঁছানোর পর তিনি প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন সম্মেলনের আয়োজক ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের সাথে। এ ছাড়া সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার সাথেও ট্রাম্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন বলেও হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে। ট্রাম্পের এই সফর নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার (আগামীকাল) ট্রাম্প ও জেলেনস্কি মুখোমুখি আলোচনায় বসবেন। সেখানে মূল এজেন্ডাই হবে কিভাবে এই যুদ্ধ দ্রুত থামানো যায়। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, গত কয়েক মাস ধরে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি কার্যত স্থবির হয়ে আছে এবং কোনো পক্ষই তেমন একটা সুবিধা করতে পারছে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে তীব্র তাগিদ অনুভব করছেন।
এর পাশাপাশি, ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা বাজেট বা সামরিক ব্যয় বাড়ানোর জন্য ব্যক্তিগতভাবে চাপ দেবেন। সম্মেলন চলাকালে বিলিয়ন ডলারের বেশ কিছু সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইউরোপীয় কূটনৈতিক মহল আশা করছে যে, প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং ন্যাটোর নতুন মহাসচিব মার্ক রুটের সাথে ট্রাম্পের সুসম্পর্কের কারণে এবারের সম্মেলনটি বেশ ফলপ্রসূ হবে।



