তিস্তা ভাঙন ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের দাবি

Printed Edition

রংপুর ব্যুরো

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের তিস্তাপাড়ে নদীভাঙন রোধ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং জরুরি রোগী পারাপারের জন্য একটি স্পিডবোটের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয়রা। রোববার ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এ স্মারকলিপি দেন। পরে একই দাবিতে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছেও স্মারকলিপি জমা দেয়া হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যায় তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে গঙ্গাচড়া ও কালিগঞ্জ উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী বিপাকে পড়েছেন। হাটবাজারে যাতায়াত ও জরুরি রোগী পরিবহনও ব্যাহত হচ্ছে।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, চর বাগডোহারা, কাচারিপাড়া, ব্রিফ বাজারসহ চরনোহালী-মিনারবাজার-কালিগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসতভিটা, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার ও কমিউনিটি ক্লিনিক নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা জিওব্যাগ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মামুনুর রশিদ বলেন, স্মারকলিপি পাওয়ার পর বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। জরুরি রোগী, প্রসূতি মা ও পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে একটি স্পিডবোট দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত আইডিভুক্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরকে (এলজিইডি) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। চরাঞ্চলের আইডিবহির্ভূত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে অনুরোধও করা হয়েছে। তিনি জানান, স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।