ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের গত পাঁচ আসরের সবগুলোতেই প্রতিনিধিত্ব ছিল অস্ট্রেলিয়ার। কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার কাছে হেরে পথচলা থেমেছিল সকারুজদের। দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানের যৌথ আয়োজনে ২০০২ সালের আসরে তৃতীয় হয়েছিল তুরস্ক। এরপর গত পাঁচ আসরে বাছাই পর্ব উৎরাতে ব্যর্থ হয়েছিল সাবেক কিংবদন্তি হাকান সুকুরের দেশটির। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে এবার ফিরলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ফেবারিট ভাবা হচ্ছে তুরস্ককে। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় মুখোমুখি হবে দুই দল।
‘ডি’ গ্রুপের এই ম্যাচে তুরস্ককে ফেবারিট ভাবলেও মানুষের এই ধারণা ‘ভুল’ প্রমাণ করার তাড়না অনুভব করছেন অস্ট্রেলিয়া কোচ টনি পপোভিচ। আর্দা গুলের, কেনান ইলদিজের মতো নির্ভরতা নিয়ে গোছানো দল তুরস্ককে হারিয়ে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে শুভসূচনা করতে উন্মুখ তিনি। কোচের মতো একই চাওয়া অস্ট্রেলিয়ারও। চার বছর আগে, কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় খেলা দলটিকে কেউ সেভাবে গোণায় ধরছে না, এটা যেন মেনে নিতে পারছেন না পপোভিচ।
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ শুরুর আগে দু’টি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলেছে। ৩১ মে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর ৬ জুন সুইজারল্যান্ডের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে। তবে মূল পর্বে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচের পর ১৯ জুন ব যুক্তরাষ্ট্র ও ২৫ জুন গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া।
তুরস্ক মাত্র তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে। ২০০২ সালের পর এটিই তাদের প্রথম অংশগ্রহণ। সেই আসরে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল তারা। বর্তমান দলটিতে রয়েছে বেশ কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড়। বিশেষ করে তাদের সাম্প্রতিক ফর্মের কথা মাথায় রাখলে, যেখানে তারা টানা আটটি ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। ভিনসেঞ্জো মন্টেলার দল তাদের শেষ আট ম্যাচের সাতটিতেই জয়ী হয়েছে। যার মধ্যে বিশ্বকাপের আগে খেলা দু’টি প্রীতি ম্যাচের একটিতে উত্তর মেসিডোনিয়াকে ৪-০ এবং ভেনেজুয়েলাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। ‘ক্রিসেন্ট-স্টারস’রা ১৯ জুন দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ে এবং ২৫ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবেলা করবে। অস্ট্রেলিয়া এর আগে মাত্র দুইবার মুখোমুখি হয়েছে তুরস্কের। ২০০৪ সালের ২১ মে প্রথম ম্যাচে ৩-১ ও ২৪ মে ১-০ গোলের জয় পেয়েছিল ইউরোপের দেশটি। এবার তৃতীয় মোকাবেলায় তুরস্কের লক্ষ্য রেকর্ড সমৃদ্ধকরণ আর প্রথম জয়ের খুঁজে অস্ট্রেলিয়া।



