পটুয়াখালী-১ আসন

মাঠে সক্রিয় বিএনপি, জোট প্রার্থীতে বদলাতে পারে সমীকরণ

Printed Edition
মাঠে সক্রিয় বিএনপি, জোট প্রার্থীতে বদলাতে পারে সমীকরণ
মাঠে সক্রিয় বিএনপি, জোট প্রার্থীতে বদলাতে পারে সমীকরণ

দুমকি (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এরই মধ্যে ভোটারদের মধ্যে তার অবস্থান তৈরি হয়েছে। এদিকে জায়ামাতসহ ১১ দলীয় জোটের পক্ষে আসন সমঝোতায় প্রার্থী দেয়া হবে। যদি আসনটিতে সমঝোতায় জোট প্রার্থী দেয়া হলে বদলে যেতে পারে ভোটের সমীকরণ।

আসনে নয় প্রার্থীর মধ্যে আট প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে। প্রাার্থীরা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফিরোজ আলম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব মিনার, গণ অধিকার পরিষদের শহিদুল ইসলাম ফাহিম, গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট মনোনীত বাংলাদেশ জাসদের গৌতম চন্দ্র শীল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মোহাম্মদ সাইয়েদুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আ: মান্নান হাওলাদার।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি প্রার্থী আসনে নিয়মিত সভা-সমাবেশ, গণসংযোগে প্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। দুমকি উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সরাসরি মাঠে সক্রিয় অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা এবং গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তার গণসংযোগ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বিএনপির প্রচারণাকে দৃশ্যমান করেছে।

ঠিক উল্টো চিত্র জামায়াত জোটে। ভোটের মাঠে তাদের উপস্থিতি কিছুটা কম। ইসলামী আন্দোলন নেতা গাজী মাসুম বিল্লাহ বলেন, প্রার্থীসহ আমরা সীমিত পরিসরে গণসংযোগ চালাচ্ছি, তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর থেকে নির্বাচী এলাকার প্রত্যন্ত এলাকায় জোরালো প্রচারণা শুরু হবে। জেলা এবি পার্টির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও জোটগত সিদ্ধান্তের পর মাঠে সক্রিয়তা দেখা যাবে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও সাংগঠনিকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে তাদের কার্যক্রম এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত রয়েছে বলে জানান নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, ১১ দলীয় জোটের সিদ্ধান্তের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। জোটের প্রার্থীর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলে তখন নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে এবং ভোটের সমীকরণ আরো স্পষ্ট হয়ে উঠবে।