আলজাজিরা
গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে কায়রোতে ফিলিস্তিনি বিভিন্ন পক্ষের আলোচনা চলার মধ্যেই উপত্যকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরো বিস্তৃত করছে ইসরাইল। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন, ইসরাইলি বাহিনী ‘ইয়েলো লাইন’ নামে পরিচিত সামরিক নিয়ন্ত্রণসীমা পশ্চিম দিকে আরো এগিয়ে নিচ্ছে এবং নতুন এলাকা কার্যত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনছে।
গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজার ৭০ শতাংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ঘোষণা করার পর বিভিন্ন এলাকায় মাটির বাঁধ, কংক্রিটের চিহ্ন এবং সামরিক প্রতিবন্ধকতা স্থাপনের খবর পাওয়া যায়। রাফাহর আল-মাওয়াসি এলাকা, খান ইউনুসের দক্ষিণাঞ্চল এবং নেতজারিম করিডোর সংলগ্ন এলাকায় কৃষিজমি ও গ্রিনহাউস সমতল করার খবর আসছে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, একই সাথে বিভিন্ন এলাকায় সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়ে আবাসিক ভবন ধ্বংসের অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে খান ইউনুসের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় প্রতি রাতেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, যেখানে বহু ভবন গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।
ত্রাণকর্মীদের নির্যাতন নিয়ে ইতালিতে তদন্তের মুখে বেন-গভির
এ দিকে ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির-এর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ইতালির প্রসিকিউটররা। গত মাসে গাজাগামী ত্রাণবহরে থাকা ইতালীয় কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে এই তদন্ত চলছে। বিচার বিভাগীয় সূত্র জানিয়েছে, ত্রাণবহরে থাকা ইতালীয় নাগরিকদের প্রতি আচরণের ঘটনায় বেন-গভিরের বিরুদ্ধে ‘অপহরণ’ ও ‘নির্যাতন’-সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। ইতালি ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে বেন-গভিরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে, আর ফ্রান্স তাকে নিজ দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।



