ডেইলি টেলিগ্রাফ
আবারো নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের (এমপি) তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। লেবার পার্টির শতাধিক এমপি তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। একই সাথে আগামী সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগের নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা না করলে তাকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
তবে সব চাপ উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবেন এবং কোনো অবস্থাতেই পদ থেকে ‘সরে যাবেন না’। উত্তর ইংল্যান্ডের একটি পার্লামেন্টারি আসনে উপনির্বাচনে লেবার পার্টির মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম বড় ব্যবধানে জয়লাভ করার পরই মূলত দলের ভেতর থেকে স্টারমারের পদত্যাগের এই জোরালো দাবি ওঠে। কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে সবশেষ অবস্থান নিয়েছেন ফ্যাবিয়ান হ্যামিল্টন, যিনি গত মাসের স্থানীয় নির্বাচনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুগত ছিলেন। তিনি বলেন, আগামী দিন ও সপ্তাহগুলোর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা জানাতে হবে এবং অ্যান্ডি বার্নহামকে সেই পরিবর্তন আনার সুযোগ দিতে হবে, যার জন্য দল নির্বাচিত হয়েছে।
পাশাপাশি লেবার এমপিদের ‘রেড ওয়াল গ্রুপ’-এর চেয়ারম্যান জো হোয়াইট এবং অ্যান্ডি বার্নহামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী লুক চার্টার্সও গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মেকারফিল্ড আসনে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহাম ভূমিধস বিজয় অর্জন করেন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলোতে তিনি কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন। এ ছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও ভবিষ্যতের যেকোনো দলীয় প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমনকি মন্ত্রিসভার সদস্যরাও এখন স্যার কিয়ারকে ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়রের জন্য জায়গা ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।



