দুই জেলায় গলাকাটা ও ঝুলন্ত ৩ লাশ উদ্ধার

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

সিলেট ও বাগেরহাটে তিনজনের গলাকাটা ও ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা থেকে এক কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে নগরীর এয়ারপোর্ট থানা এলাকার পশ্চিম পাঠানগাঁও থেকে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত কিশোর আমিন আলী (১৬) মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সাথে ওই কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতর তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশটি উদ্ধার করে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মামুনুর রশীদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। সুরতহালে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এর আগে বুধবার রাতে এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম পাঠানগাঁওয়ে নিজ বসতঘর থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জমির আলী (৪০) ওই গ্রামের করম আলীর ছেলে। পুলিশের ধারণা জমির আলী ছোরা দিয়ে গলাকেটে আত্মহত্যা করতে পারেন।

শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, শরণখোলায় নাইম চৌকিদার (২০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পশ্চিম রাজৈর গ্রামের নাসির হাওলাদারের নির্মাণাধীন ভবনের বেলকনির রেলিংয়ের সাথে ঝুলছিল লাশটি।

প্রতিবেশী নাসির হাওলাদারের নির্মাণাধীন একটি ফাঁকা ভবনের বেলকনির রেলিংয়ের সাথে নাইমকে গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নাইম পশ্চিম রাজৈর গ্রামের আব্দুল হক চৌকিদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে দাবি পরিবারের।

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।