দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জন্ম নেয়া জোড়া লাগানো যমজ কন্যাশিশুর চিকিৎসা ও জীবন বাঁচানো নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে একটি দরিদ্র পরিবার। অর্থের অভাবে শিশু দু’টির ভবিষ্যৎ চিকিৎসা থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার বিকেলে প্রাগপুর ইউনিয়নের বিলগাথুয়া গ্রামে শিশু দু’টির বাড়িতে যান দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ। তিনি পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী, গুঁড়ো দুধ, এক হাজার টাকা নগদ এবং চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে পাঁচ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।
গত ৪ মে ঢাকা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে সিজারিয়ানের মাধ্যমে এই যমজ শিশুর জন্ম হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশু দু’টিকে আলাদা করা সম্ভব। তবে এর জন্য নিয়মিত পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। তিন মাস পর ঢাকায় নেয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও শিশুদের বাবা নাহিদ হাসানের সামান্য আয়ে তা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি স্থানীয় দোকানে সামান্য বেতনে চাকরি করে ধারদেনার বোঝায় জর্জরিত। ইউএনও অনিন্দ্য গুহ জানান, শিশুদের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী ও জটিল। উপজেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে থেকে পরবর্তীতেও সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে।



