সিলেট ব্যুরো
সিলেট নগরীতে একদিনে পৃথক চার ঘটনায় চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন সড়ক দুর্ঘটনায়, একজন আবাসিক হোটেলে এবং অপরজন বাসায় মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে একজন স্কুলশিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী ও দুইজন যুবক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ১টার দিকে শাহপরান থানার খাদিমপাড়ার বিসিক শিল্প এলাকার সামনে অজ্ঞাত গাড়ির সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহরিয়ার হাসান (২৬) নিহত হন। তিনি দাসপাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান হাওলাদারের ছেলে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকও আহত হন। শাহপরান থানার ওসি ফেরদৌস হাসান হোসেন জানান, মরদেহ মর্গে পাঠানোর পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর মিরের ময়দান এলাকায় বাংলাদেশ বেতার কার্যালয়ের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুত গতির সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় স্কুলশিক্ষক মুরাদ আহমেদ (৫৯) নিহত হন। স্থানীয়রা তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি মাছিমপুর এলাকার মৃত নুরুদ্দিনের ছেলে।
কোতোয়ালি থানার ওসি খান মো: মাঈনুল জাকির জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একই সময়ে নগরীর বন্দরবাজারের লালবাজার এলাকার হোটেল আলী আবাসিকের একটি কক্ষ থেকে সোহেল আহমদ (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি জৈন্তাপুরের ডিবির হাওর এলাকার বাসিন্দা এবং নগরীর হাসান মার্কেটে ব্রিফকেস ও ব্যাগেজের ব্যবসা করতেন। হোটেল কক্ষের দরজা ভেঙে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
অন্য দিকে সকাল ১১টার দিকে শাহপরান থানাধীন উপশহরের একটি বাসা থেকে রাব্বী আহমদ (২৯) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তাকে সিলিংফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহপরান থানার ওসি ফেরদৌস হাসান জানান, রাব্বীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।



