ক্রীড়া প্রতিবেদক, নিউ ইয়র্ক থেকে
আত্মঘাতী গোল। নিজ জালে বল পাঠালেই তা আত্মঘাতী গোল হিসেবে চিহ্নিত হয়। বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম থেকেই এই আত্মঘাতী গোল হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলের সর্ববৃহৎ এই আসরে ৫৫টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। ১৯৩০ সালে মেক্সিকোর ম্যানুয়েল রোজাসকে দিয়ে শুরু। আর এই গোলের সর্বশেষ সংযোজন প্যারাগুয়ের ডামিয়ান বোবাডিল্লা। প্রথম বিশ্বকাপে চিলির সাথে ম্যাচে এই আত্মঘাতী গোল করেছিলেন রোজাস। আর গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচে নিজ জালে বল পাঠান প্যারাগুয়ের বোবাডিল্লা। লক্ষণীয় বিষয় হলো এই আত্মঘাতী গোলের ম্যাচে হারে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হয় জিতেছে না হয় ড্র করেছে। অর্থাৎ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের ভাগ্যটা মার্কিনিদের পক্ষেই।
বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসে এই আত্মঘাতী গোলের জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিল কলম্বিয়ার আন্দ্রেস এসকোবারকে। তা ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচের পর। এই গোলের জন্য প্রাণ হারানোর ঘটনা সেটিই প্রথম। বিশ্বকাপে কোনো ফুটবলারই একটির বেশি আত্মঘাতী গোল করেনি। মেক্সিকান ফুটবলাররা চারবার বিভিন্ন বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করেছিলেন। ফ্রান্স ছয়বার এই আত্মঘাতী গোলের সুবিধা নিয়ে জিতেছিল।
এসকোবারের গোল দিয়েই বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের আত্মঘাতী গোল পাওয়া শুরু। সে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র জিতেছিল ২-১-এ। ২০০২ সালে পর্তুগালের বিপক্ষে তাদের ৩-২ গোলে জয়ের পেছনেও একটি আত্মঘাতী গোল। সেই গোলটি করেছিলেন জর্জ কাস্ট্রো। সে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের জেফ আগোসও করেছিলেন আত্মঘাতী গোল। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে ইতালির সাথে তাদের ১-১ গোলে ড্র করাটা এই আত্মঘাতী গোলের সুবাদেই।



